দীর্ঘ ১১ বছর পর ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নেতারা। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত পে-স্কেলের বিভিন্ন অসংগতি দূর করা, সব ধরনের ভাতা পুনর্বিবেচনা, পে-ফিক্সেশন ও সফটওয়্যার জটিলতা নিরসন এবং দ্রুত চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, পটুয়াখালী জেলা শাখার আয়োজনে ‘পটুয়াখালী জেলা কাউন্সিল-২০২৬’ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল মালেক। প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব আশিকুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শাহীন খান, সহ-সভাপতি মো. আজিজুর রহমান এবং যুগ্ম-মহাসচিব মো. মেহেদী হাসান।
সমিতির পটুয়াখালী জেলা কমিটির আহ্বায়ক মো. শাহাবুদ্দিন মুন্সীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মো. মনিরুজ্জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল মালেক বলেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তবে প্রস্তাবিত পে-স্কেলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে কোনো অসংগতি থাকলে এখনই তা সংশোধন করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের অপেক্ষায় রয়েছেন। প্রস্তাবিত কাঠামোতে যদি বেতন-ভাতা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে অনেক কর্মচারীর প্রত্যাশা পূরণ হবে না।
বিশেষ করে প্রথম ধাপে ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা বাদ দিয়ে হাতে যে সামান্য অর্থ পাওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তা সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সমিতির নেতারা প্রস্তাবিত ৯ম পে-স্কেলের অসংগতিগুলো সংশোধন, সব ধরনের ভাতা পুনর্বিবেচনা, পে-ফিক্সেশন ও সফটওয়্যার-সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত নিরসন এবং এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত গেজেট দ্রুত প্রকাশের দাবি জানান।
মতামত