পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নে ভোলা-পটুয়াখালী সংযোগ সেতু নির্মাণ এবং ধুলিয়া এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে বৃহৎ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনের বিষয়টি তুলে ধরে মানববন্ধন থেকে এ দুই দাবিতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ভোলা-পটুয়াখালী সংযোগ সেতু নির্মাণ হলে দুই জেলার মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে। বর্তমানে যোগাযোগের ক্ষেত্রে যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেতু নির্মাণের মাধ্যমে তা অনেকটাই দূর করা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করেন। এ কারণে দীর্ঘদিনের এই দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
তারা বলেন, ভোলা-পটুয়াখালী সংযোগ সেতু শুধু দুই জেলার মানুষের যোগাযোগ সহজ করার বিষয় নয়, এটি এই অঞ্চলের মানুষের চলাচল ও পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সেতু নির্মাণের দাবিটি দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
মানববন্ধনে ধুলিয়া এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, ধুলিয়া এলাকার মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার জন্য একটি টেকসই বেড়িবাঁধ প্রয়োজন। নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষের স্থায়ী সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়রা বলেন, বেড়িবাঁধ নির্মাণের ক্ষেত্রে শুধু সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের দিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এতে ধুলিয়া এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের দীর্ঘদিনের উদ্বেগও কমবে।
বক্তারা বলেন, ভোলা-পটুয়াখালী সংযোগ সেতু নির্মাণ এবং ধুলিয়ায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ—দুটি দাবিই স্থানীয় মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই দাবিগুলোকে শুধু মানববন্ধন বা আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
মানববন্ধন থেকে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভোলা-পটুয়াখালী সংযোগ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া এবং ধুলিয়া এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তাদের মতে, এই দুই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি যোগাযোগ ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে।
মতামত