ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
পটুয়াখালী টুডে

নতুন উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পটুয়াখালী কালেক্টরেট স্কুলের শিক্ষা পরিবেশ



নতুন উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পটুয়াখালী কালেক্টরেট স্কুলের শিক্ষা পরিবেশ
নতুন উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পটুয়াখালী কালেক্টরেট স্কুলের শিক্ষা পরিবেশ

নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও সৃজনশীল বিকাশে নানা উদ্যোগ নিয়েছে পটুয়াখালী কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রশাসনের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় শিক্ষা কার্যক্রমে শৃঙ্খলা, প্রযুক্তির ব্যবহার, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, শ্রেণিকক্ষে কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের পাঠ পরিকল্পনা তৈরি করে প্রস্তুতি নিয়ে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, হোমওয়ার্ক, ডায়েরি লেখা, পরিচ্ছন্নতা, নির্ধারিত পোশাক ও পাঠ বুঝে নেওয়ার বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি করা হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের নিয়ম-শৃঙ্খলা ও শিষ্টাচার সম্পর্কে সচেতন করতে নিয়মিতভাবে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের আগে কোনো শিক্ষার্থীকে অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় না। অসুস্থতা বা জরুরি প্রয়োজনে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীকে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

শিক্ষক-অভিভাবকের মধ্যে যোগাযোগ

শিক্ষার্থীদের সার্বিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে প্রতিটি শ্রেণির শাখাভিত্তিক অভিভাবক গ্রুপ চালু করা হয়েছে। এসব গ্রুপে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির তথ্য, ডায়েরি লেখার ছবি, ফলাফল, জরুরি নির্দেশনা ও অফিসিয়াল নোটিশ নিয়মিত প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি অভিভাবক সভার মাধ্যমে তাদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যালয় থেকেও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

পাঠ্যবইয়ের বাইরে সৃজনশীলতার চর্চা

শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশে বিদ্যালয়ে দেয়ালিকা চালু করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের লেখা দিয়ে সাজানো হচ্ছে সেই দেয়ালিকা। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে লেখালেখি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।

এ ছাড়া প্রতি মাসে অন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। বিতর্ক, আবৃত্তি, কুইজ, নাচ ও গানসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

‘পড়ার ঘর’ ও ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি

বই পড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে বিদ্যালয়ে ‘পড়ার ঘর’ নামে একটি লাইব্রেরি স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা সেখানে নিজেদের পছন্দের বই পড়ার সুযোগ পাচ্ছে।

প্রতি বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি আসছে। পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে একটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠার পাশাপাশি তাদের চিন্তার জগতও সমৃদ্ধ হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের কাছে আরও আনন্দময় করে তুলতে প্রতি সপ্তাহে শ্রেণিভিত্তিক গানের ক্লাস ও শারীরিক শিক্ষা কার্যক্রমে খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

চারটি ক্লাবে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ

প্রতি শনিবার শিক্ষার্থীদের জন্য চারটি ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এগুলো হলো—আর্টস অ্যান্ড কালচারাল ক্লাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, বিজ্ঞান ও আইসিটি ক্লাব এবং স্পোর্টস অ্যান্ড হেলদি ক্লাব। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি জ্ঞান ও শারীরিক সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্পেশাল কেয়ার ইউনিট’

একাডেমিকভাবে পিছিয়ে থাকা, অতিরিক্ত চঞ্চল, নিয়মিত অনুপস্থিত এবং পড়াশোনায় ধারাবাহিকভাবে দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য চালু করা হয়েছে ‘স্পেশাল কেয়ার ইউনিট’।

শ্রেণিশিক্ষক ও অভিভাবকদের কাছ থেকে এসব শিক্ষার্থীর তালিকা নিয়ে উপাধ্যক্ষ তাদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ইতিবাচক পরামর্শ ও প্রেরণা দেওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ছে এবং পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

নিয়মিত মূল্যায়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা

শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পরিচ্ছন্নতা, পোশাক, শিষ্টাচার, শৃঙ্খলা, হোমওয়ার্ক, অধ্যায়ভিত্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতি রবিবার সার্বিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে মাস শেষে শিক্ষার্থী মূল্যায়ন কার্ড তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষক ও কর্মচারীদের সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চালু করা হয়েছে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা। শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।

পাঠদানকে আরও আকর্ষণীয় করতে আংশিকভাবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস চালু করা হয়েছে। বর্তমানে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণিতে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টর স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কোডিং পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, পরীক্ষা পদ্ধতির স্বচ্ছতা, সহশিক্ষা কার্যক্রম, শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নেওয়া এসব পদক্ষেপ ধীরে ধীরে বিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে।

প্রশাসনের সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় এসব কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করে পটুয়াখালী কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজকে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও আনন্দময় পাঠশালা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

পটুয়াখালী টুডে

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নতুন উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পটুয়াখালী কালেক্টরেট স্কুলের শিক্ষা পরিবেশ

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও সৃজনশীল বিকাশে নানা উদ্যোগ নিয়েছে পটুয়াখালী কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রশাসনের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় শিক্ষা কার্যক্রমে শৃঙ্খলা, প্রযুক্তির ব্যবহার, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, শ্রেণিকক্ষে কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের পাঠ পরিকল্পনা তৈরি করে প্রস্তুতি নিয়ে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, হোমওয়ার্ক, ডায়েরি লেখা, পরিচ্ছন্নতা, নির্ধারিত পোশাক ও পাঠ বুঝে নেওয়ার বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি করা হচ্ছে।


শিক্ষার্থীদের নিয়ম-শৃঙ্খলা ও শিষ্টাচার সম্পর্কে সচেতন করতে নিয়মিতভাবে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের আগে কোনো শিক্ষার্থীকে অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় না। অসুস্থতা বা জরুরি প্রয়োজনে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীকে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।


শিক্ষক-অভিভাবকের মধ্যে যোগাযোগ


শিক্ষার্থীদের সার্বিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে প্রতিটি শ্রেণির শাখাভিত্তিক অভিভাবক গ্রুপ চালু করা হয়েছে। এসব গ্রুপে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির তথ্য, ডায়েরি লেখার ছবি, ফলাফল, জরুরি নির্দেশনা ও অফিসিয়াল নোটিশ নিয়মিত প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি অভিভাবক সভার মাধ্যমে তাদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যালয় থেকেও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।


পাঠ্যবইয়ের বাইরে সৃজনশীলতার চর্চা


শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশে বিদ্যালয়ে দেয়ালিকা চালু করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের লেখা দিয়ে সাজানো হচ্ছে সেই দেয়ালিকা। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে লেখালেখি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।


এ ছাড়া প্রতি মাসে অন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। বিতর্ক, আবৃত্তি, কুইজ, নাচ ও গানসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে উৎসাহিত করা হচ্ছে।


‘পড়ার ঘর’ ও ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি


বই পড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে বিদ্যালয়ে ‘পড়ার ঘর’ নামে একটি লাইব্রেরি স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা সেখানে নিজেদের পছন্দের বই পড়ার সুযোগ পাচ্ছে।


প্রতি বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি আসছে। পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে একটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠার পাশাপাশি তাদের চিন্তার জগতও সমৃদ্ধ হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের কাছে আরও আনন্দময় করে তুলতে প্রতি সপ্তাহে শ্রেণিভিত্তিক গানের ক্লাস ও শারীরিক শিক্ষা কার্যক্রমে খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।


চারটি ক্লাবে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ


প্রতি শনিবার শিক্ষার্থীদের জন্য চারটি ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এগুলো হলো—আর্টস অ্যান্ড কালচারাল ক্লাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, বিজ্ঞান ও আইসিটি ক্লাব এবং স্পোর্টস অ্যান্ড হেলদি ক্লাব। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি জ্ঞান ও শারীরিক সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।


পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্পেশাল কেয়ার ইউনিট’


একাডেমিকভাবে পিছিয়ে থাকা, অতিরিক্ত চঞ্চল, নিয়মিত অনুপস্থিত এবং পড়াশোনায় ধারাবাহিকভাবে দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য চালু করা হয়েছে ‘স্পেশাল কেয়ার ইউনিট’।


শ্রেণিশিক্ষক ও অভিভাবকদের কাছ থেকে এসব শিক্ষার্থীর তালিকা নিয়ে উপাধ্যক্ষ তাদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ইতিবাচক পরামর্শ ও প্রেরণা দেওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ছে এবং পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।


নিয়মিত মূল্যায়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা


শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পরিচ্ছন্নতা, পোশাক, শিষ্টাচার, শৃঙ্খলা, হোমওয়ার্ক, অধ্যায়ভিত্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতি রবিবার সার্বিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে মাস শেষে শিক্ষার্থী মূল্যায়ন কার্ড তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


শিক্ষক ও কর্মচারীদের সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চালু করা হয়েছে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা। শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।


পাঠদানকে আরও আকর্ষণীয় করতে আংশিকভাবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস চালু করা হয়েছে। বর্তমানে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণিতে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টর স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


এ ছাড়া পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কোডিং পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।


প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, পরীক্ষা পদ্ধতির স্বচ্ছতা, সহশিক্ষা কার্যক্রম, শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নেওয়া এসব পদক্ষেপ ধীরে ধীরে বিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে।


প্রশাসনের সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় এসব কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করে পটুয়াখালী কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজকে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও আনন্দময় পাঠশালা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।


পটুয়াখালী টুডে

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান: মোঃ আতিকুল ইসলাম
ভাইস চেয়ারম্যান: মোঃ জাকারিয়া হোসেন
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুর রহিম মেহেদী
বার্তা সম্পাদক: মোঃ মাসুদ খান

কপিরাইট © ২০২৬ পটুয়াখালী টুডে । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
নতুন উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পটুয়াখালী কালেক্টরেট স্কুলের শিক্ষা পরিবেশ
0:00 0:00
1.0x