ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
পটুয়াখালী টুডে

ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে কুয়াকাটা সৈকত, ঝুলে আছে ৭৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প



ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে কুয়াকাটা সৈকত, ঝুলে আছে ৭৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও বর্ষা এলেই উত্তাল হয়ে ওঠে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকত। সাগরের ঢেউয়ের আঘাতে প্রতিবছরই বাড়ছে ভাঙন। ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে সৈকতের প্রস্থ, বিলীন হচ্ছে বনাঞ্চল, বিভিন্ন স্থাপনা ও বসতভিটা। ভাঙনের কবল থেকে সৈকত রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ব্যবহার করলেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের।

তাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিতভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ব্যবহারের কারণে একদিকে ভাঙন পুরোপুরি ঠেকানো যাচ্ছে না, অন্যদিকে সৈকতের স্বাভাবিক সৌন্দর্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে তা কবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা।

দীর্ঘ হচ্ছে সৈকত, কমছে প্রস্থ

১৯৯৮ সালে কুয়াকাটাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। সে সময় লেম্বুরবন থেকে গঙ্গামতির পয়েন্ট পর্যন্ত সৈকতের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ কিলোমিটার। পরবর্তী সময়ে পশ্চিমে তিন নদীর মোহনা থেকে পূর্বে রামনাবাদ মোহনা পর্যন্ত সৈকতের বিস্তৃতি বেড়ে প্রায় ২৯ কিলোমিটারে পৌঁছেছে।

তবে সৈকতের দৈর্ঘ্য বাড়লেও ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে এর প্রস্থে। স্থানীয়দের ভাষ্য, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, প্রবল ঢেউ ও বর্ষার সময় সাগরের পানি তীরের দিকে এগিয়ে আসায় বছরের পর বছর বালু ক্ষয় হচ্ছে। ফলে সৈকতের অনেক অংশ আগের তুলনায় সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, গত চার থেকে পাঁচ দশকে সমুদ্র প্রায় দেড় থেকে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত ভেতরের দিকে এগিয়ে এসেছে। অব্যাহত ভাঙনে গত এক দশকে নারিকেল বাগান, এলজিইডির ডাকবাংলো, ডিসি পার্কের একাংশ, পুরোনো ঝাউবাগান, ভূমি অফিসের গেস্ট হাউস, হোটেল-মোটেলসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে বহু মানুষের ঘরবাড়িও ভাঙনের কবলে পড়েছে।

লোকালয়ের কাছে সাগর

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক দশক আগেও কুয়াকাটা সৈকতে ছিল বিস্তীর্ণ বালুর টেক ও বনাঞ্চল। সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে কয়েক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হতো। বর্তমানে সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। সাগর ক্রমেই লোকালয়ের দিকে এগিয়ে আসায় কুয়াকাটার ভবিষ্যৎ এবং পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটক নাদিম ও রবিন বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে কুয়াকাটায় এসে সৈকতের বর্তমান অবস্থা দেখে তাঁরা হতাশ। পর্যটনকেন্দ্রটির সৌন্দর্য ও অস্তিত্ব ধরে রাখতে দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। বালু ক্ষয়ের কারণে এ সময় বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হয়ে যায়। চলতি বছরও ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, ট্যুরিস্ট বক্স, মসজিদ, মন্দির ও মেরিন ড্রাইভসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো হুমকির মুখে রয়েছে। এসব স্থাপনা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

পর্যটন ব্যবসায়ও শঙ্কা

সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলাসের জিএম আল আমিন হাওলাদার বলেন, আবহাওয়াজনিত কারণে যেভাবে কুয়াকাটা সৈকতে ভাঙন বাড়ছে, তা অব্যাহত থাকলে পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। একপর্যায়ে পর্যটকরা কুয়াকাটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন। সৈকত রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিকল্পিত ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

গণমাধ্যমকর্মী ও পরিবেশকর্মী মেজবাহ উদ্দিন মাননু বলেন, প্রায় দুই দশক ধরে কুয়াকাটা সৈকতের ১৮ কিলোমিটার এলাকা রক্ষায় স্থায়ী প্রতিরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু এখনো প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে কুয়াকাটাকে গড়ে তুলতে হলে দ্রুত সৈকত রক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরি।

তিনি আরও বলেন, ম্যানগ্রোভ ও নন-ম্যানগ্রোভ—দুই ধরনের বনাঞ্চলই বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তাঁর দাবি, ইতোমধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশ বনাঞ্চল বিলীন হয়ে গেছে।

৭৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

সৈকত রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পাউবো, কলাপাড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ্ আলম বলেন, কুয়াকাটা সৈকতের ১১ দশমিক ৭ কিলোমিটার অংশের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০২৪ সালে ৭৫৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা হয়েছে। প্রকল্পটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের অংশ হিসেবে জিও টিউব ব্যবহার করে সৈকতের ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অস্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নয়, কুয়াকাটা সৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও পরিবেশ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত একটি টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। তাঁদের মতে, সময়মতো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে ভাঙনের বিস্তৃতি আরও বাড়তে পারে। এতে কুয়াকাটার বনাঞ্চল, স্থাপনা, বসতভিটা ও পর্যটন অবকাঠামো আরও বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

পটুয়াখালী টুডে

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে কুয়াকাটা সৈকত, ঝুলে আছে ৭৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image



পটুয়াখালী প্রতিনিধি


ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও বর্ষা এলেই উত্তাল হয়ে ওঠে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকত। সাগরের ঢেউয়ের আঘাতে প্রতিবছরই বাড়ছে ভাঙন। ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে সৈকতের প্রস্থ, বিলীন হচ্ছে বনাঞ্চল, বিভিন্ন স্থাপনা ও বসতভিটা। ভাঙনের কবল থেকে সৈকত রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ব্যবহার করলেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের।


তাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিতভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ব্যবহারের কারণে একদিকে ভাঙন পুরোপুরি ঠেকানো যাচ্ছে না, অন্যদিকে সৈকতের স্বাভাবিক সৌন্দর্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে তা কবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা।


দীর্ঘ হচ্ছে সৈকত, কমছে প্রস্থ


১৯৯৮ সালে কুয়াকাটাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। সে সময় লেম্বুরবন থেকে গঙ্গামতির পয়েন্ট পর্যন্ত সৈকতের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ কিলোমিটার। পরবর্তী সময়ে পশ্চিমে তিন নদীর মোহনা থেকে পূর্বে রামনাবাদ মোহনা পর্যন্ত সৈকতের বিস্তৃতি বেড়ে প্রায় ২৯ কিলোমিটারে পৌঁছেছে।


তবে সৈকতের দৈর্ঘ্য বাড়লেও ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে এর প্রস্থে। স্থানীয়দের ভাষ্য, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, প্রবল ঢেউ ও বর্ষার সময় সাগরের পানি তীরের দিকে এগিয়ে আসায় বছরের পর বছর বালু ক্ষয় হচ্ছে। ফলে সৈকতের অনেক অংশ আগের তুলনায় সংকুচিত হয়ে পড়েছে।


স্থানীয়দের দাবি, গত চার থেকে পাঁচ দশকে সমুদ্র প্রায় দেড় থেকে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত ভেতরের দিকে এগিয়ে এসেছে। অব্যাহত ভাঙনে গত এক দশকে নারিকেল বাগান, এলজিইডির ডাকবাংলো, ডিসি পার্কের একাংশ, পুরোনো ঝাউবাগান, ভূমি অফিসের গেস্ট হাউস, হোটেল-মোটেলসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে বহু মানুষের ঘরবাড়িও ভাঙনের কবলে পড়েছে।


লোকালয়ের কাছে সাগর


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক দশক আগেও কুয়াকাটা সৈকতে ছিল বিস্তীর্ণ বালুর টেক ও বনাঞ্চল। সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে কয়েক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হতো। বর্তমানে সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। সাগর ক্রমেই লোকালয়ের দিকে এগিয়ে আসায় কুয়াকাটার ভবিষ্যৎ এবং পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটক নাদিম ও রবিন বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে কুয়াকাটায় এসে সৈকতের বর্তমান অবস্থা দেখে তাঁরা হতাশ। পর্যটনকেন্দ্রটির সৌন্দর্য ও অস্তিত্ব ধরে রাখতে দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।


কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। বালু ক্ষয়ের কারণে এ সময় বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হয়ে যায়। চলতি বছরও ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, ট্যুরিস্ট বক্স, মসজিদ, মন্দির ও মেরিন ড্রাইভসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো হুমকির মুখে রয়েছে। এসব স্থাপনা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।


পর্যটন ব্যবসায়ও শঙ্কা


সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলাসের জিএম আল আমিন হাওলাদার বলেন, আবহাওয়াজনিত কারণে যেভাবে কুয়াকাটা সৈকতে ভাঙন বাড়ছে, তা অব্যাহত থাকলে পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। একপর্যায়ে পর্যটকরা কুয়াকাটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন। সৈকত রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিকল্পিত ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।


গণমাধ্যমকর্মী ও পরিবেশকর্মী মেজবাহ উদ্দিন মাননু বলেন, প্রায় দুই দশক ধরে কুয়াকাটা সৈকতের ১৮ কিলোমিটার এলাকা রক্ষায় স্থায়ী প্রতিরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু এখনো প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে কুয়াকাটাকে গড়ে তুলতে হলে দ্রুত সৈকত রক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরি।


তিনি আরও বলেন, ম্যানগ্রোভ ও নন-ম্যানগ্রোভ—দুই ধরনের বনাঞ্চলই বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তাঁর দাবি, ইতোমধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশ বনাঞ্চল বিলীন হয়ে গেছে।


৭৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়


সৈকত রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পাউবো, কলাপাড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ্ আলম বলেন, কুয়াকাটা সৈকতের ১১ দশমিক ৭ কিলোমিটার অংশের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০২৪ সালে ৭৫৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা হয়েছে। প্রকল্পটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।


তিনি বলেন, প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের অংশ হিসেবে জিও টিউব ব্যবহার করে সৈকতের ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।


তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অস্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নয়, কুয়াকাটা সৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও পরিবেশ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত একটি টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। তাঁদের মতে, সময়মতো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে ভাঙনের বিস্তৃতি আরও বাড়তে পারে। এতে কুয়াকাটার বনাঞ্চল, স্থাপনা, বসতভিটা ও পর্যটন অবকাঠামো আরও বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।


পটুয়াখালী টুডে

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান: মোঃ আতিকুল ইসলাম
ভাইস চেয়ারম্যান: মোঃ জাকারিয়া হোসেন
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুর রহিম মেহেদী
বার্তা সম্পাদক: মোঃ মাসুদ খান

কপিরাইট © ২০২৬ পটুয়াখালী টুডে । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে কুয়াকাটা সৈকত, ঝুলে আছে ৭৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প
0:00 0:00
1.0x