শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যকে সম্মান জানিয়ে পটুয়াখালীর দুমকিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান। এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (এ+) অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এ আয়োজন করে আংগারিয়া শিক্ষা উন্নয়ন সংঘ।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সংগঠনের সভাপতি সাফায়েত হোসেন সাগরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পেছনে মা-বাবার পরিশ্রম, দোয়া এবং শিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে জিপিএ-৫ অর্জনকে জীবনের শেষ সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। বরং এটিকে ভবিষ্যতের আরও বড় অর্জনের ভিত্তি হিসেবে কাজে লাগাতে হবে।
অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, মেধার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম ও সততা যুক্ত হলেই একজন শিক্ষার্থী আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। গ্রামীণ এলাকার মেধাবীদের মূল্যায়নে আংগারিয়া শিক্ষা উন্নয়ন সংঘের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক রোটারিয়ান প্রকৌশলী এমএ হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন দুমকি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলাম ও দুমকি থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন।
সাধারণ সম্পাদক মো. আশিকুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দুমকি সরকারি জনতা কলেজের সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মো. জসীম উদ্দিন, অধ্যক্ষ মো. জামাল হোসেন, লেবুখালী সরকারি হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান আশরাফ এবং সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের পক্ষে একজন শিক্ষার্থী।
আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করা এবং ভালো ফলাফলের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এ আয়োজন করা হয়েছে। সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে এলাকার শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের বিষয়েও আলোচনা হয়।
এ সময় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।
আংগারিয়া শিক্ষা উন্নয়ন সংঘের এ উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং নতুন প্রজন্মকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
মতামত