বরগুনার বেতাগীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিল ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে পাঁচ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বেতাগী পৌরসভার সরকারি কলেজসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে মিছিলের পর নাকি মিছিলের প্রস্তুতিকালে তাঁদের আটক করা হয়েছে, তা নিয়ে সংগঠন ও পুলিশের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা গেছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. জাহিদুল ইসলাম রনি, মো. ইব্রাহিম রিফাত, মো. হৃদয় হোসেন, মো. রাব্বি ও মো. আরাফাত খান।
বেতাগী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ হাওলাদার জানান, মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সোহেল আমিন হাওলাদারের দাবি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজার নির্দেশনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে প্রায় ২০০ নেতা-কর্মী অংশ নেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মিছিল ও সমাবেশ শেষে ফেরার পথে পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বেতাগীতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মিছিল ও সমাবেশ করতে দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে পুলিশের বক্তব্য ও সংগঠনের নেতার দাবির মধ্যে সময় ও পরিস্থিতি নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মিছিলের প্রস্তুতিকালে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। অন্যদিকে, ছাত্রলীগের উপজেলা সভাপতির দাবি, কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর তাঁদের আটক করা হয়েছে। ফলে আটকের সময় ও ঘটনাক্রম সম্পর্কে দুই পক্ষের বক্তব্যে পার্থক্য রয়েছে।
এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী কী নির্দিষ্ট অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সংশ্লিষ্ট মামলার বিবরণ এবং আদালতের আদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
মতামত