পটুয়াখালীর বাউফলে গ্রাম পুলিশ বাহিনীর ১১৫তম ব্যাচের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে গ্রাম পুলিশ বাহিনীর দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তদারকি করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ নিরলসভাবে কাজ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা এ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে তাদের কার্যক্রম আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার উপযোগী করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
গ্রাম পুলিশ স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে থাকেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য প্রদান, প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহযোগিতা এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে তাদের ভূমিকা রয়েছে। ফলে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
১১৫তম ব্যাচের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণকে ঘিরে অংশগ্রহণকারী গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও আগ্রহ দেখা গেছে। প্রশিক্ষণের নির্ধারিত কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছেন।
এদিকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের লক্ষ্যমাত্রা যথাযথভাবে অর্জন এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি কার্যকর প্রশিক্ষণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ইউএনও সালেহ আহমেদ প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো তদারকি করছেন। প্রশাসনের দায়িত্বশীল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা আরও সুসংহত হবে। এর ফলে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে।
উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ ও তদারকিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে স্থানীয় পর্যায়ে গ্রাম পুলিশ বাহিনীর দায়িত্ব পালনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
মতামত