বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, পটুয়াখালী জেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটি ঘিরে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা। শিশুদের সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক বিকাশ ও প্রতিভা বিকাশে আরও গতিশীল ভূমিকা রাখার প্রত্যাশায় নতুন কমিটির পথচলাকে স্বাগত জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নবনির্বাচিত কমিটিতে পটুয়াখালীর সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম পরিচিত ব্যক্তিত্ব ড. আমিনুল ইসলাম টিটো এবং সাবনাম মুস্তারি যুক্ত হওয়ায় সংগঠনের কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের মতো সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সম্পৃক্ততা শিশুদের সাংস্কৃতিক চর্চা ও সৃজনশীল বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি দীর্ঘদিন ধরে দেশের শিশু-কিশোরদের সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তিসহ বিভিন্ন সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে আসছে। পটুয়াখালী জেলা শাখার কার্যক্রমও স্থানীয় শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
নতুন কমিটির সঙ্গে ড. আমিনুল ইসলাম টিটো ও সাবনাম মুস্তারি যুক্ত হওয়াকে তাই পটুয়াখালীর সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য আনন্দের বিষয় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের অভিজ্ঞতা, সৃজনশীল চিন্তা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততা শিশু একাডেমির কার্যক্রমকে আরও প্রাণবন্ত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নবনির্বাচিত কমিটিকে ঘিরে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা—শিশুদের প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশে নিয়মিত সাংস্কৃতিক আয়োজন, প্রশিক্ষণ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশীয় সংস্কৃতি, সাহিত্য ও সৃজনশীলতার চর্চা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
নবনির্বাচিত কমিটির পথচলায় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সম্পৃক্ততা পটুয়াখালীর সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি একটি সৃজনশীল, সংস্কৃতিমনস্ক ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, পটুয়াখালী জেলা শাখা ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশাই সংশ্লিষ্টদের।
মতামত