পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা ডাকুয়া ইউনিয়ন ছোট চত্রা গ্রামের,নিজামুল চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
প্রাইমারি শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে অনউপস্থিত থাকা 'সহ নানাবিধ অভিযোগ বছরে ২-৩ দিন উপস্থিত থাকে, প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতা কারণে জান্নাতুল মরিয়ম নিসা শিক্ষক স্কুলে আসে না,কিন্তু রিটার্নে সাক্ষর থাকে কিন্তু ক্লাসে আসে না, মাঝে মধ্যে এক দিন আসে ২-৩ মাসের হাজিরা সিটে সাক্ষর করে চলে যায়, জান্নাতুল মরিয়ম নিসা শিক্ষক থাকে বরিশালে সে কি ভাবে প্রতি দিন হাজির সিটে সাক্ষর করে, পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা ডাকুয়া ইউনিয়ন ছোট চত্রা গ্রামের এই স্কুল। নিজামুল চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক গলাচিপা উপজেলার ৪৬নং নিজামুল চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জান্নাতুন মরিয়ম নিসা
এর বিরুদ্ধে ক্লাসে হাজিরা সিট সাক্ষর আছে কিন্তু ক্লাসে নাই, বছরে ২-৩ দিন স্কুলে আসে 'সহ নানাবিধ অভিযোগ উঠেছে।
বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাধ্যমে জানা গেছে, নিজামুল চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী জান্নাতুল মরিয়ম নিসা শিক্ষক হিসেবে যোগদান করার পর থেকে-ই তিনি সময় মত বিদ্যালয় উপস্থিত হন না, বিভিন্ন সময় ক্লাস চলাকালীন শ্রেণিকক্ষে থাকেনা এবং শিক্ষার্থীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন।
প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণীর অভিভাবক বলেন, প্রায় একটা বছর দুই -থেকে তিন দিন আসে ক্লাসে, কিন্তু প্রধান শিক্ষকের কারণে জান্নাতুল মরিয়ম নিসা শিক্ষক স্কুল আসে না কিন্তু প্রতি মাসের বেতন তোলে । বছর শেষ হয়ে আসছে কিন্তু আমার ছেলেটা এখনো কিছু শিখতে পারিনি। স্যার প্রতিনিয়ত ক্লাসে থাকেন। আমরা মাঝেমধ্যে রাগ করি ও রাগ থাকার কারণে আমাদের বাচ্চাদের নিয়ে বাড়ি চলে আসি।
স্যার যে ক্লাসে থাকে সেই ছবি ব্যানারে আছে দেখলেই আপনারা সবকিছু বুঝতে পারবেন।
বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি বলেন, অভিভাবকরা বিভিন্ন সময়ে এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে নালিশ করেছে। আমরা উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকেও বিষয়টি অবহিত করেছি। এই শিক্ষকের গাফিলাতির কারণে এখনো দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ করতে পারিনি। উনাকে বারবার বলা সত্ত্বেও উনি মূল্যায়ন করেননি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কবির তালুকদার জানান, জান্নাতুল মরিয়ম নিসা কারণে আমাদের বিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। আমি এই বিদ্যালয়ে ২০২০ সালে থেকে যোগদান করার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ । এ বিষয়ে আমি জান্নাতুল মরিয়ম নিসা অনেকবার সতর্ক করেছি।
অভিযুক্ত শিক্ষক জান্নাতুন মরিয়ম নিসা সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
গলাচিপা উপজেলা ডাকুয়া ইউনিয়ন ছোট চত্রা।
নিজামুল চত্রা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, আমাকে মৌখিকভাবে বিষয়টা জানানো হয়েছে। আমি তাদেরকে লিখিতভাবে অভিযোগ দিতে বলেছি, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি তদন্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতামত