ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
পটুয়াখালী টুডে

অপহরণের নাটক সাজিয়ে সাড়ে চার বছর আত্মগোপনে, মাদারীপুর থেকে উদ্ধার



অপহরণের নাটক সাজিয়ে সাড়ে চার বছর আত্মগোপনে, মাদারীপুর থেকে উদ্ধার
অপহরণের নাটক সাজিয়ে সাড়ে চার বছর আত্মগোপনে, মাদারীপুর থেকে উদ্ধার

পাওনাদারদের ফাঁসাতে কথিত অপহরণের নাটক সাজিয়ে প্রায় সাড়ে চার বছর আত্মগোপনে থাকার পর আঃ মান্নান প্যাদা (৭০) নামে এক হোটেল ব্যবসায়ীকে মাদারীপুরের কালকিনি থেকে উদ্ধার করেছে পটুয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানা এলাকার একটি বেদে পল্লী থেকে তাকে উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

উদ্ধার হওয়া আঃ মান্নান প্যাদা পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকার বল্লভ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আঃ মান্নান প্যাদার ছেলে মো. জসিম প্যাদার করা কথিত অপহরণ মামলার ভিকটিম হিসেবে উল্লেখ ছিলেন।

পুলিশের প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে বরগুনার তালতলী থানাধীন তালতলী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে থেকে হোটেল ব্যবসায়ী আঃ মান্নান প্যাদা নিখোঁজ হয়েছেন—এমন অভিযোগে প্রথমে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে ১৪ আগস্ট ২০২২ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে পাওনাদারদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৬৪/৩৬৫/১০৯ ধারায় একটি মামলা করা হয়।

ঘটনার পর পটুয়াখালী জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক দল আঃ মান্নান প্যাদাকে উদ্ধারে অনুসন্ধান শুরু করে। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আঃ মান্নান প্যাদা জানান, ২০২০ সালে বরগুনার তালতলী থানার জয়ালভাঙ্গা এলাকায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে ‘পটুয়াখালী হোটেল’ নামে একটি ভাতের হোটেল পরিচালনা করতেন। সেখানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকাজে যুক্ত দুটি কোম্পানির শ্রমিকরা মাসিক হিসাবে খাবার খেতেন। মাস শেষে কোম্পানির মালিকরা খাবারের বিল পরিশোধ করতেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন দোকান থেকেও বাকিতে মালামাল কিনে পরে টাকা পরিশোধ করতেন।

পুলিশের কাছে দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, একটি কোম্পানির শ্রমিকদের কাছে তার প্রায় ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং অন্য একটি কোম্পানির শ্রমিকদের কাছে প্রায় ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা পাওনা ছিল।

আত্মগোপনে যাওয়ার আগের দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে পাওনা টাকা চাইতে প্রথম কোম্পানির মালিকের বাসায় গেলে তাকে ৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়। ওই টাকা পাওয়ার পর তিনি রাতেই মুদি, মুরগি ও মাছ ব্যবসায়ীসহ কয়েকজন পাওনাদারকে কিছু টাকা পরিশোধ করেন। তবে কিছু টাকা বাকি থাকায় পাওনাদাররা তা দ্রুত পরিশোধের জন্য চাপ দেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হোটেলের ম্যানেজার মো. নুর আলম সিকদার বাকি টাকা পরে নিজে পরিশোধ করবেন বলে জানান।

পরে পাশের সড়কে উঠলে অন্য কোম্পানির ম্যানেজারের সঙ্গে আঃ মান্নান প্যাদার দেখা হয়। তিনি তার পাওনা টাকা চাইলে ওই ম্যানেজার জানান, পাওনা টাকার একটি অংশ হোটেল ম্যানেজার মো. নুর আলম সিকদারকে দেওয়া হয়েছে এবং বাকি টাকা পরে পরিশোধ করা হবে। তবে নুর আলমকে দেওয়া টাকার বিষয়ে আঃ মান্নানকে আগে জানানো হয়নি বলে তার বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

এরপর হোটেল ম্যানেজার নুর আলম তাকে কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পরামর্শ দেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তিনি দেখাশোনা করবেন এবং ফোনে যোগাযোগ রাখবেন বলেও জানান। পরে নুর আলমের কথায় প্রভাবিত হয়ে আঃ মান্নান প্যাদা কথিত অপহরণের নাটক সাজান বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, তালতলী থেকে বাসে পটুয়াখালী এবং সেখান থেকে ঢাকায় যান তিনি। পরে ট্রেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার কেবলা বাবার মাজারে গিয়ে কিছুদিন অবস্থান করেন। সেখান থেকে কুমিল্লার বেলতলা সলেমান ল্যাংটা বাবার মাজারে যান। দীর্ঘদিন সেখানে থাকার পর চট্টগ্রামের মাইজভান্ডারে অবস্থান করেন। পরে আবার ঢাকায় ফিরে মিরপুর ১২ নম্বর উজারাঘাট এলাকায় একটি বাড়িতে দারোয়ানের চাকরি নেন।

কিছুদিন পর ওই চাকরি ছেড়ে যশোরের বড়বাজারের গাজী কালুর মাজারে অবস্থান করেন। সেখান থেকে বাগেরহাটের খানজাহান আলীর মাজারে যান। দীর্ঘদিন সেখানে থাকার পর বাকেরগঞ্জের বারো আউলিয়ার মাজারেও অবস্থান করেন। এভাবে বিভিন্ন মাজার ও বেদে পল্লীতে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে প্রায় সাড়ে চার বছর কাটান বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পরে বাগেরহাটের মাজারে পরিচয় হওয়া কাজল নামে এক ধর্মের মেয়ের বরিশালের বাসায় যান তিনি। সেখান থেকে মাদারীপুরে তার ভগ্নিপতির বাড়িতে যান। এরই মধ্যে তার ছেলেকে দিয়ে পাওনাদারদের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করিয়ে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় বলে পুলিশ জানায়।

মামলার পর আঃ মান্নান প্যাদা ছদ্মবেশে থাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করতে পুলিশকে দীর্ঘ সময় অনুসন্ধান চালাতে হয়। একপর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে পটুয়াখালী ডিবি পুলিশের একটি দল। পরে ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ১টার দিকে কালকিনি থানা এলাকার একটি বেদে পল্লী থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আঃ মান্নান প্যাদা দেনার টাকা পরিশোধ করতে না পেরে পাওনাদারদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে কথিত অপহরণের ঘটনা সাজানোর কথা জানিয়েছেন। উদ্ধার হওয়ার পর তাকে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত বর্তমানে চলমান। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা সহযোগীদের শনাক্ত করতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত যেকোনো ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনতে পুলিশের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

পটুয়াখালী টুডে

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


অপহরণের নাটক সাজিয়ে সাড়ে চার বছর আত্মগোপনে, মাদারীপুর থেকে উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পাওনাদারদের ফাঁসাতে কথিত অপহরণের নাটক সাজিয়ে প্রায় সাড়ে চার বছর আত্মগোপনে থাকার পর আঃ মান্নান প্যাদা (৭০) নামে এক হোটেল ব্যবসায়ীকে মাদারীপুরের কালকিনি থেকে উদ্ধার করেছে পটুয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।


বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানা এলাকার একটি বেদে পল্লী থেকে তাকে উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।


উদ্ধার হওয়া আঃ মান্নান প্যাদা পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকার বল্লভ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আঃ মান্নান প্যাদার ছেলে মো. জসিম প্যাদার করা কথিত অপহরণ মামলার ভিকটিম হিসেবে উল্লেখ ছিলেন।


পুলিশের প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে বরগুনার তালতলী থানাধীন তালতলী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে থেকে হোটেল ব্যবসায়ী আঃ মান্নান প্যাদা নিখোঁজ হয়েছেন—এমন অভিযোগে প্রথমে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে ১৪ আগস্ট ২০২২ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে পাওনাদারদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৬৪/৩৬৫/১০৯ ধারায় একটি মামলা করা হয়।


ঘটনার পর পটুয়াখালী জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক দল আঃ মান্নান প্যাদাকে উদ্ধারে অনুসন্ধান শুরু করে। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আঃ মান্নান প্যাদা জানান, ২০২০ সালে বরগুনার তালতলী থানার জয়ালভাঙ্গা এলাকায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে ‘পটুয়াখালী হোটেল’ নামে একটি ভাতের হোটেল পরিচালনা করতেন। সেখানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকাজে যুক্ত দুটি কোম্পানির শ্রমিকরা মাসিক হিসাবে খাবার খেতেন। মাস শেষে কোম্পানির মালিকরা খাবারের বিল পরিশোধ করতেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন দোকান থেকেও বাকিতে মালামাল কিনে পরে টাকা পরিশোধ করতেন।


পুলিশের কাছে দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, একটি কোম্পানির শ্রমিকদের কাছে তার প্রায় ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং অন্য একটি কোম্পানির শ্রমিকদের কাছে প্রায় ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা পাওনা ছিল।


আত্মগোপনে যাওয়ার আগের দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে পাওনা টাকা চাইতে প্রথম কোম্পানির মালিকের বাসায় গেলে তাকে ৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়। ওই টাকা পাওয়ার পর তিনি রাতেই মুদি, মুরগি ও মাছ ব্যবসায়ীসহ কয়েকজন পাওনাদারকে কিছু টাকা পরিশোধ করেন। তবে কিছু টাকা বাকি থাকায় পাওনাদাররা তা দ্রুত পরিশোধের জন্য চাপ দেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হোটেলের ম্যানেজার মো. নুর আলম সিকদার বাকি টাকা পরে নিজে পরিশোধ করবেন বলে জানান।


পরে পাশের সড়কে উঠলে অন্য কোম্পানির ম্যানেজারের সঙ্গে আঃ মান্নান প্যাদার দেখা হয়। তিনি তার পাওনা টাকা চাইলে ওই ম্যানেজার জানান, পাওনা টাকার একটি অংশ হোটেল ম্যানেজার মো. নুর আলম সিকদারকে দেওয়া হয়েছে এবং বাকি টাকা পরে পরিশোধ করা হবে। তবে নুর আলমকে দেওয়া টাকার বিষয়ে আঃ মান্নানকে আগে জানানো হয়নি বলে তার বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।


এরপর হোটেল ম্যানেজার নুর আলম তাকে কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পরামর্শ দেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তিনি দেখাশোনা করবেন এবং ফোনে যোগাযোগ রাখবেন বলেও জানান। পরে নুর আলমের কথায় প্রভাবিত হয়ে আঃ মান্নান প্যাদা কথিত অপহরণের নাটক সাজান বলে পুলিশ জানিয়েছে।


পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, তালতলী থেকে বাসে পটুয়াখালী এবং সেখান থেকে ঢাকায় যান তিনি। পরে ট্রেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার কেবলা বাবার মাজারে গিয়ে কিছুদিন অবস্থান করেন। সেখান থেকে কুমিল্লার বেলতলা সলেমান ল্যাংটা বাবার মাজারে যান। দীর্ঘদিন সেখানে থাকার পর চট্টগ্রামের মাইজভান্ডারে অবস্থান করেন। পরে আবার ঢাকায় ফিরে মিরপুর ১২ নম্বর উজারাঘাট এলাকায় একটি বাড়িতে দারোয়ানের চাকরি নেন।


কিছুদিন পর ওই চাকরি ছেড়ে যশোরের বড়বাজারের গাজী কালুর মাজারে অবস্থান করেন। সেখান থেকে বাগেরহাটের খানজাহান আলীর মাজারে যান। দীর্ঘদিন সেখানে থাকার পর বাকেরগঞ্জের বারো আউলিয়ার মাজারেও অবস্থান করেন। এভাবে বিভিন্ন মাজার ও বেদে পল্লীতে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে প্রায় সাড়ে চার বছর কাটান বলে পুলিশ জানিয়েছে।


পরে বাগেরহাটের মাজারে পরিচয় হওয়া কাজল নামে এক ধর্মের মেয়ের বরিশালের বাসায় যান তিনি। সেখান থেকে মাদারীপুরে তার ভগ্নিপতির বাড়িতে যান। এরই মধ্যে তার ছেলেকে দিয়ে পাওনাদারদের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করিয়ে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় বলে পুলিশ জানায়।


মামলার পর আঃ মান্নান প্যাদা ছদ্মবেশে থাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করতে পুলিশকে দীর্ঘ সময় অনুসন্ধান চালাতে হয়। একপর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে পটুয়াখালী ডিবি পুলিশের একটি দল। পরে ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ১টার দিকে কালকিনি থানা এলাকার একটি বেদে পল্লী থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।


পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আঃ মান্নান প্যাদা দেনার টাকা পরিশোধ করতে না পেরে পাওনাদারদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে কথিত অপহরণের ঘটনা সাজানোর কথা জানিয়েছেন। উদ্ধার হওয়ার পর তাকে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।


পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত বর্তমানে চলমান। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা সহযোগীদের শনাক্ত করতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত যেকোনো ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনতে পুলিশের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


পটুয়াখালী টুডে

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান: মোঃ আতিকুল ইসলাম
ভাইস চেয়ারম্যান: মোঃ জাকারিয়া হোসেন
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুর রহিম মেহেদী
বার্তা সম্পাদক: মোঃ মাসুদ খান

কপিরাইট © ২০২৬ পটুয়াখালী টুডে । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
অপহরণের নাটক সাজিয়ে সাড়ে চার বছর আত্মগোপনে, মাদারীপুর থেকে উদ্ধার
0:00 0:00
1.0x