ঢাকা    সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
পটুয়াখালী টুডে

মির্জাগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে র‍্যালি ও আলোচনা



মির্জাগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে র‍্যালি ও আলোচনা
মির্জাগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে র‍্যালি ও আলোচনা

নিরক্ষরতা দূর করে শিক্ষিত, দক্ষ ও সচেতন জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার প্রত্যয়ে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬। ‘মানুষ, পৃথিবী এবং সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবনের সম্মেলন কক্ষে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধি, শিক্ষক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

পরে সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. রাসেল। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল মুন্সি ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মজিবুর রহমান।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আহসানউল্লাহ পিন্টু ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মুন্সি। সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষরতা শুধু পড়তে-লিখতে শেখা নয়

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সাক্ষরতা একজন মানুষকে শুধু পড়তে ও লিখতে সক্ষম করে না; বরং তাকে নিজের অধিকার, দায়িত্ব ও চারপাশের পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ বাড়লে মানুষ নিজের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও আরও কার্যকরভাবে যুক্ত হতে পারে।

তাঁরা বলেন, একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শিক্ষিত ও দক্ষ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন। নিরক্ষরতার কারণে সমাজের একটি অংশ শিক্ষা, তথ্য ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা থেকে পিছিয়ে পড়ে। তাই নিরক্ষরতা দূরীকরণকে কেবল সরকারি কর্মসূচি হিসেবে না দেখে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তি ও তথ্যনির্ভর এই সময়ে মৌলিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবজীবনমুখী জ্ঞান অর্জনও জরুরি। বিশেষ করে বয়স্ক নিরক্ষর মানুষ, বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া শিশু এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার আওতায় আনার মাধ্যমে সমাজের শিক্ষাগত বৈষম্য কমানো সম্ভব।

ঝরে পড়া ও বয়স্কদের শিক্ষার আওতায় আনার আহ্বান

সভায় বক্তারা নিরক্ষরতা দূরীকরণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁদের মতে, শিক্ষার সুযোগ থেকে কোনো মানুষ বাদ পড়লে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নও বাধাগ্রস্ত হয়।

তাঁরা বলেন, শুধু সাক্ষরতার হার বাড়ালেই হবে না, মানুষ যে শিক্ষা অর্জন করছে সেটিকে কর্মজীবন ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এতে মানুষের দক্ষতা বাড়বে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।

‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনে শিক্ষিত নাগরিক অপরিহার্য

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও শেখ মো. রাসেল বলেন, আধুনিক ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের জন্য প্রতিটি নাগরিককে শিক্ষিত ও দক্ষ করে তোলার বিকল্প নেই। সমাজের যেসব মানুষ এখনো শিক্ষার মূলধারার বাইরে রয়েছেন, তাঁদের সাক্ষরতার আওতায় নিয়ে আসতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ঝরে পড়া শিশুদের পুনরায় শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করা এবং বয়স্কদের মৌলিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উপজেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। নিরক্ষরতা দূর করতে স্থানীয় পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, একজন মানুষ যখন নিজের নাম লিখতে, প্রয়োজনীয় তথ্য পড়তে এবং বুঝতে সক্ষম হন, তখন তার সামনে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যায়। শিক্ষা তাকে আত্মবিশ্বাসী করে এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ায়। এ কারণে সাক্ষরতা একটি ব্যক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি একটি সমাজের অগ্রগতিরও গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

আলোচনা সভার শেষপর্বে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার সুযোগের আওতায় এনে তাঁদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য। এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করা গেলে মির্জাগঞ্জে নিরক্ষরতার হার কমানোর পাশাপাশি সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথও আরও সুগম হবে।

দিবসটির কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে পালনের দিন নয়; বরং সমাজের প্রতিটি মানুষকে শিক্ষার আলোয় আনার অঙ্গীকার নতুন করে স্মরণ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। মির্জাগঞ্জে এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে শিক্ষার প্রতি মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা করেন তাঁরা।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

পটুয়াখালী টুডে

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


মির্জাগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে র‍্যালি ও আলোচনা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নিরক্ষরতা দূর করে শিক্ষিত, দক্ষ ও সচেতন জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার প্রত্যয়ে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬। ‘মানুষ, পৃথিবী এবং সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।


মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবনের সম্মেলন কক্ষে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধি, শিক্ষক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।


পরে সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. রাসেল। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল মুন্সি ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মজিবুর রহমান।


এ ছাড়া বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আহসানউল্লাহ পিন্টু ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মুন্সি। সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


সাক্ষরতা শুধু পড়তে-লিখতে শেখা নয়


আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সাক্ষরতা একজন মানুষকে শুধু পড়তে ও লিখতে সক্ষম করে না; বরং তাকে নিজের অধিকার, দায়িত্ব ও চারপাশের পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ বাড়লে মানুষ নিজের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও আরও কার্যকরভাবে যুক্ত হতে পারে।


তাঁরা বলেন, একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শিক্ষিত ও দক্ষ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন। নিরক্ষরতার কারণে সমাজের একটি অংশ শিক্ষা, তথ্য ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা থেকে পিছিয়ে পড়ে। তাই নিরক্ষরতা দূরীকরণকে কেবল সরকারি কর্মসূচি হিসেবে না দেখে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।


বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তি ও তথ্যনির্ভর এই সময়ে মৌলিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবজীবনমুখী জ্ঞান অর্জনও জরুরি। বিশেষ করে বয়স্ক নিরক্ষর মানুষ, বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া শিশু এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার আওতায় আনার মাধ্যমে সমাজের শিক্ষাগত বৈষম্য কমানো সম্ভব।


ঝরে পড়া ও বয়স্কদের শিক্ষার আওতায় আনার আহ্বান


সভায় বক্তারা নিরক্ষরতা দূরীকরণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁদের মতে, শিক্ষার সুযোগ থেকে কোনো মানুষ বাদ পড়লে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নও বাধাগ্রস্ত হয়।


তাঁরা বলেন, শুধু সাক্ষরতার হার বাড়ালেই হবে না, মানুষ যে শিক্ষা অর্জন করছে সেটিকে কর্মজীবন ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এতে মানুষের দক্ষতা বাড়বে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।


‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনে শিক্ষিত নাগরিক অপরিহার্য


সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও শেখ মো. রাসেল বলেন, আধুনিক ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের জন্য প্রতিটি নাগরিককে শিক্ষিত ও দক্ষ করে তোলার বিকল্প নেই। সমাজের যেসব মানুষ এখনো শিক্ষার মূলধারার বাইরে রয়েছেন, তাঁদের সাক্ষরতার আওতায় নিয়ে আসতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা প্রয়োজন।


তিনি বলেন, ঝরে পড়া শিশুদের পুনরায় শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করা এবং বয়স্কদের মৌলিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উপজেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। নিরক্ষরতা দূর করতে স্থানীয় পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।


আলোচনায় বক্তারা বলেন, একজন মানুষ যখন নিজের নাম লিখতে, প্রয়োজনীয় তথ্য পড়তে এবং বুঝতে সক্ষম হন, তখন তার সামনে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যায়। শিক্ষা তাকে আত্মবিশ্বাসী করে এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ায়। এ কারণে সাক্ষরতা একটি ব্যক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি একটি সমাজের অগ্রগতিরও গুরুত্বপূর্ণ সূচক।


অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ


আলোচনা সভার শেষপর্বে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়।


সংশ্লিষ্টরা জানান, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার সুযোগের আওতায় এনে তাঁদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য। এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করা গেলে মির্জাগঞ্জে নিরক্ষরতার হার কমানোর পাশাপাশি সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথও আরও সুগম হবে।


দিবসটির কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে পালনের দিন নয়; বরং সমাজের প্রতিটি মানুষকে শিক্ষার আলোয় আনার অঙ্গীকার নতুন করে স্মরণ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। মির্জাগঞ্জে এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে শিক্ষার প্রতি মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা করেন তাঁরা।


পটুয়াখালী টুডে

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান: মোঃ আতিকুল ইসলাম
ভাইস চেয়ারম্যান: মোঃ জাকারিয়া হোসেন
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুর রহিম মেহেদী
বার্তা সম্পাদক: মোঃ মাসুদ খান

কপিরাইট © ২০২৬ পটুয়াখালী টুডে । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মির্জাগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে র‍্যালি ও আলোচনা
0:00 0:00
1.0x