ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
পটুয়াখালী টুডে

দশমিনায় ১,৫৫০ জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ



দশমিনায় ১,৫৫০ জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ
দশমিনায় ১,৫৫০ জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ১ হাজার ৫৫০ জন নিবন্ধিত জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে সহায়তা করতে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় চত্বরে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আবুল কালামের সভাপতিত্বে বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল কাদের, ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক এবং ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্য-সদস্যাবৃন্দ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে হয় জেলেদের। এতে তাদের নিয়মিত উপার্জন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অনেক জেলে পরিবারকে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হয়। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় খাদ্যসহায়তা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন উপকারভোগী জেলেরা।

চাল বিতরণকালে জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞা মেনে নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখায় এ সময়ে তাদের আয়-রোজগার থাকে না বললেই চলে। পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণসহ দৈনন্দিন খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়। এ অবস্থায় সরকারি খাদ্যসহায়তা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে বিতরণকেন্দ্রে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরাসরি উপস্থিতি এবং নির্ধারিত পরিমাণ চাল ওজন করে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক বলেন, জেলেদের মাঝে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে ভিজিএফের চাল বিতরণ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রত্যেক জেলে যেন নির্ধারিত ২৫ কেজি করে চাল সঠিকভাবে পান, সে জন্য ওজন ও বিতরণ কার্যক্রমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিবিড়ভাবে তদারকি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের পাশাপাশি জেলেদের জন্য খাদ্যসহায়তা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। এতে নিষেধাজ্ঞার সময় কর্মহীন জেলে পরিবারগুলোর খাদ্যসংকট মোকাবিলায় সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতেও এ ধরনের সহায়তা ভূমিকা রাখতে পারে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

পটুয়াখালী টুডে

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


দশমিনায় ১,৫৫০ জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ১ হাজার ৫৫০ জন নিবন্ধিত জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে সহায়তা করতে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।


মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় চত্বরে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আবুল কালামের সভাপতিত্বে বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল কাদের, ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক এবং ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্য-সদস্যাবৃন্দ।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে হয় জেলেদের। এতে তাদের নিয়মিত উপার্জন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অনেক জেলে পরিবারকে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হয়। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় খাদ্যসহায়তা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন উপকারভোগী জেলেরা।


চাল বিতরণকালে জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞা মেনে নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখায় এ সময়ে তাদের আয়-রোজগার থাকে না বললেই চলে। পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণসহ দৈনন্দিন খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়। এ অবস্থায় সরকারি খাদ্যসহায়তা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে বিতরণকেন্দ্রে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরাসরি উপস্থিতি এবং নির্ধারিত পরিমাণ চাল ওজন করে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।


ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক বলেন, জেলেদের মাঝে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে ভিজিএফের চাল বিতরণ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রত্যেক জেলে যেন নির্ধারিত ২৫ কেজি করে চাল সঠিকভাবে পান, সে জন্য ওজন ও বিতরণ কার্যক্রমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিবিড়ভাবে তদারকি করা হয়েছে।


সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের পাশাপাশি জেলেদের জন্য খাদ্যসহায়তা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। এতে নিষেধাজ্ঞার সময় কর্মহীন জেলে পরিবারগুলোর খাদ্যসংকট মোকাবিলায় সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতেও এ ধরনের সহায়তা ভূমিকা রাখতে পারে।


পটুয়াখালী টুডে

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান: মোঃ আতিকুল ইসলাম
ভাইস চেয়ারম্যান: মোঃ জাকারিয়া হোসেন
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুর রহিম মেহেদী
বার্তা সম্পাদক: মোঃ মাসুদ খান

কপিরাইট © ২০২৬ পটুয়াখালী টুডে । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
দশমিনায় ১,৫৫০ জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ
0:00 0:00
1.0x