দলকে সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও কার্যকর করতে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন দলীয় নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন, নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও ঐক্য বজায় থাকলে সংগঠন আরও শক্তিশালী হয়। বিশেষ করে দলের নেতৃত্ব ঐক্যবদ্ধ থাকলে তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীরাও ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে উৎসাহিত হন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি রাজনৈতিক সংগঠনের শক্তির মূল ভিত্তি হলো ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্ব ও সুসংগঠিত কর্মীসমাজ। নেতৃত্বের মধ্যে বিভেদ বা মতপার্থক্য তৈরি হলে তার প্রভাব তৃণমূল পর্যায়েও পড়ে। বিপরীতে নেতৃবৃন্দ পারস্পরিক সমন্বয় ও ঐক্যের মাধ্যমে কাজ করলে কর্মীদের মধ্যেও সংগঠনের প্রতি আস্থা ও দায়িত্ববোধ আরও দৃঢ় হয়।
তারা আরও বলেন, দলের স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে রেখে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নেতাকর্মীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মনোভাব বজায় রাখা জরুরি। একই সঙ্গে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা গেলে সংগঠন আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে।
নেতৃবৃন্দের মতে, শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নয়, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, উপজেলা ও জেলা পর্যায়েও সাংগঠনিক ঐক্য ধরে রাখা প্রয়োজন। তৃণমূলের কর্মীরাই একটি দলের সাংগঠনিক শক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
তারা বলেন, নেতৃত্ব ও কর্মীদের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে সবাইকে একই লক্ষ্য ও আদর্শের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। সংগঠনের স্বার্থে ব্যক্তিগত মতপার্থক্য থাকলেও তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ‘নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কর্মীরাও ঐক্যবদ্ধ থাকে’—এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্বই কর্মীদের মধ্যে আস্থা তৈরি করে এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করে।
এ সময় তারা দলীয় নেতাকর্মীদের বিভেদ-বিভাজন এড়িয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠনকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা মেনে দলের স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্ব দেন।
মতামত