শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপে উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পাশাপাশি দুর্গোৎসবের সার্বিক পরিবেশ এবং স্থানীয় মানুষের খোঁজখবর নেন।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে ইখতিয়ার রহমান কবিরের এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়। দুর্গাপূজাকে ঘিরে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার বিষয়টি এ সময় গুরুত্ব পায়।
স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় উৎসবগুলো শুধু নির্দিষ্ট কোনো সম্প্রদায়ের আনন্দ-উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এসব আয়োজন সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহাবস্থানের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার সুযোগ তৈরি করে। গোলখালীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের যোগাযোগ ও সৌজন্য বিনিময়ের বিষয়টি সামনে আসে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখা এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার গুরুত্বও রয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পূজা উদযাপন কমিটি এবং এলাকাবাসীর পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ইখতিয়ার রহমান কবির জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর গোলখালীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের এ কর্মসূচি স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সৌজন্যমূলক যোগাযোগের একটি উপলক্ষ হয়ে ওঠে।
তবে পরিদর্শনকালে তাঁর দেওয়া বক্তব্য, পূজামণ্ডপগুলোর নাম, উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মী এবং পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে সংবাদটি আরও তথ্যসমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের প্রত্যাশা স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে এলাকার সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে—এমন প্রত্যাশাই সংশ্লিষ্ট মহলের।
মতামত