ঢাকা    রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
পটুয়াখালী টুডে

আইন লঙ্ঘন করে মহিপুরে শুকানো হচ্ছে সংরক্ষিত হাঙর ও শাপলাপাতা মাছ: হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য


প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

আইন লঙ্ঘন করে মহিপুরে শুকানো হচ্ছে সংরক্ষিত হাঙর ও শাপলাপাতা মাছ: হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য
পটুয়াখালী টুডে

‎নিজস্ব প্রতিনিধি : মহিপুর কুয়াকাটা 

‎পটুয়ালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানাধীন নজিবপুর শুঁটকি পল্লীতে অবৈধভাবে শাপলাপাতা মাছ ও হাঙর শুকানোর অভিযোগ উঠেছে।

‎

‎ উপকূলীয় এ জনপদের বিভিন্ন শুঁটকি পল্লীতে সামুদ্রিক মাছের এসব প্রজাতি প্রক্রিয়াজাত করার দৃশ্য দেখা গেছে। এতে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে

‎

‎সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহিপুরের নজিবপুর এলাকার বিভিন্ন শুঁটকি পল্লীতে শুঁটকি করা হচ্ছে  বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ। এর মধ্যে শাপলাপাতা মাছ ও হাঙর রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। মাছগুলো শুঁটকি তৈরির জন্য প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে।

‎

‎সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আহরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিনিষেধ রয়েছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত প্রজাতির হাঙর ও শাপলাপাতা মাছ আহরণ, পরিবহন, বিক্রি এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ সামুদ্রিক সম্পদের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

‎

‎শুঁটকি ব্যাবসায়ী শহিদুল ফরাজির শুটকি পল্লীতে শাপলাপাতা ও হাঙ্গর মাছ শুকটি প্রক্রিয়াজাতকরণ দেখে প্রশ্ন করলে তিনি মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকতার অনুমোদন আছে বলে জানান। তিনি আরও বলেন এ বিষয়ে জানতে হলে শুঁটকি ব্যাবসায়ী শিপনের সাথে কথা বলেন।

‎

‎ শুটকি ব্যাবসায়ী শিপনের কাছে শাপলাপাতা ও হাঙ্গর শুঁটকি করার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন সম্পর্কে জানি না তবে শাপলাপাতা ও কিছু প্রজাতির হাঙ্গর ক্রয়-বিক্রয় ও সংরক্ষন নিষিদ্ধ আছে তা জানি।

‎আমাদের যদি এ সম্পর্কে জানানো হয় তাহলে আমরা আর এসকল মাছ শুকটি করার জন্য কিনবো না।

‎

‎এ বিষয়ে মহিপুর বন কর্মকতা মনিরুজ্জামান বলেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০২৬ অনুযায়ী শাপলাপাতা মাছ ও হাঙ্গর ধরা ক্রয় বিক্রয় ও সংরক্ষণ করা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমরা এ বিষয়ে কাউকে কোন ধরনের অনুমতি দেইনি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করব। 

‎

‎স্থানীয়দের মতে, উপকূলীয় এলাকায় সামুদ্রিক মাছ আহরণ ও শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণে যথাযথ নজরদারি না থাকলে নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত প্রজাতির মাছের বাণিজ্য বন্ধ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এ কারণে শুঁটকি পল্লীগুলোতে নিয়মিত তদারকি এবং অবৈধ মাছ আহরণ ও বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে।

‎

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

পটুয়াখালী টুডে

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


আইন লঙ্ঘন করে মহিপুরে শুকানো হচ্ছে সংরক্ষিত হাঙর ও শাপলাপাতা মাছ: হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image



‎নিজস্ব প্রতিনিধি : মহিপুর কুয়াকাটা 


‎পটুয়ালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানাধীন নজিবপুর শুঁটকি পল্লীতে অবৈধভাবে শাপলাপাতা মাছ ও হাঙর শুকানোর অভিযোগ উঠেছে।

‎

‎ উপকূলীয় এ জনপদের বিভিন্ন শুঁটকি পল্লীতে সামুদ্রিক মাছের এসব প্রজাতি প্রক্রিয়াজাত করার দৃশ্য দেখা গেছে। এতে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে

‎

‎সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহিপুরের নজিবপুর এলাকার বিভিন্ন শুঁটকি পল্লীতে শুঁটকি করা হচ্ছে  বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ। এর মধ্যে শাপলাপাতা মাছ ও হাঙর রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। মাছগুলো শুঁটকি তৈরির জন্য প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে।

‎

‎সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আহরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিনিষেধ রয়েছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত প্রজাতির হাঙর ও শাপলাপাতা মাছ আহরণ, পরিবহন, বিক্রি এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ সামুদ্রিক সম্পদের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

‎

‎শুঁটকি ব্যাবসায়ী শহিদুল ফরাজির শুটকি পল্লীতে শাপলাপাতা ও হাঙ্গর মাছ শুকটি প্রক্রিয়াজাতকরণ দেখে প্রশ্ন করলে তিনি মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকতার অনুমোদন আছে বলে জানান। তিনি আরও বলেন এ বিষয়ে জানতে হলে শুঁটকি ব্যাবসায়ী শিপনের সাথে কথা বলেন।

‎

‎ শুটকি ব্যাবসায়ী শিপনের কাছে শাপলাপাতা ও হাঙ্গর শুঁটকি করার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন সম্পর্কে জানি না তবে শাপলাপাতা ও কিছু প্রজাতির হাঙ্গর ক্রয়-বিক্রয় ও সংরক্ষন নিষিদ্ধ আছে তা জানি।

‎আমাদের যদি এ সম্পর্কে জানানো হয় তাহলে আমরা আর এসকল মাছ শুকটি করার জন্য কিনবো না।

‎

‎এ বিষয়ে মহিপুর বন কর্মকতা মনিরুজ্জামান বলেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০২৬ অনুযায়ী শাপলাপাতা মাছ ও হাঙ্গর ধরা ক্রয় বিক্রয় ও সংরক্ষণ করা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমরা এ বিষয়ে কাউকে কোন ধরনের অনুমতি দেইনি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করব। 

‎

‎স্থানীয়দের মতে, উপকূলীয় এলাকায় সামুদ্রিক মাছ আহরণ ও শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণে যথাযথ নজরদারি না থাকলে নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত প্রজাতির মাছের বাণিজ্য বন্ধ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এ কারণে শুঁটকি পল্লীগুলোতে নিয়মিত তদারকি এবং অবৈধ মাছ আহরণ ও বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে।

‎


পটুয়াখালী টুডে

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান: মোঃ আতিকুল ইসলাম
ভাইস চেয়ারম্যান: মোঃ জাকারিয়া হোসেন
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুর রহিম মেহেদী
বার্তা সম্পাদক: মোঃ মাসুদ খান

কপিরাইট © ২০২৬ পটুয়াখালী টুডে । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
আইন লঙ্ঘন করে মহিপুরে শুকানো হচ্ছে সংরক্ষিত হাঙর ও শাপলাপাতা মাছ: হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য
0:00 0:00
1.0x