জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে দক্ষতা এবং সরকারি সেবা বাস্তবায়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পটুয়াখালী জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নির্বাচিত হয়েছেন দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা। সরকারি কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে কর্মদক্ষতার মূল্যায়নের ভিত্তিতে তাঁকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও হিসেবে মাহমুদ হাসান মৃধার নাম ঘোষণা করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী জেলায় আটটি উপজেলা ও ৭৬টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এসব এলাকার সরকারি কার্যক্রম বাস্তবায়ন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক কর্মদক্ষতা বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন করা হয়। এ মূল্যায়নের ভিত্তিতেই দশমিনার ইউএনও মাহমুদ হাসান মৃধা জেলার শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেন।
এ অর্জনের প্রতিক্রিয়ায় মাহমুদ হাসান মৃধা জেলা প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এ স্বীকৃতি তাঁর একার অর্জন নয়; বরং দশমিনা উপজেলার সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।
তিনি আরও বলেন, দশমিনা উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সরকারি কার্যক্রম যথাসময়ে সম্পন্ন করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমকে গতিশীল রাখতে সবাই সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের সহযোগিতা ও আন্তরিকতার কারণেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।
মাহমুদ হাসান মৃধা এ স্বীকৃতিকে দশমিনা উপজেলাবাসীর সম্মিলিত সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতেও সরকারি সেবার মান উন্নয়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের সেবা সহজলভ্য করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নাগরিকের পরিচয় ও আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। এ কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন হলে নাগরিকদের বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণ সহজ হয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক তথ্য ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হয়।
দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এ স্বীকৃতি উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিদের উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মতামত