পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমিতে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মো. আল আমিনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বাধা দিতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার কলাপাড়া প্রতিনিধি সাংবাদিক মো. রফিকুল ইসলাম মিরাজ। জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের পাশাপাশি পরিবারের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে মহিপুর মৎস্যবন্দরসংলগ্ন শিববাড়িয়া মৌজায় তাঁর মায়ের মালিকানাধীন জমিতে ঘর নির্মাণের কাজ চলার খবর পান সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মিরাজ। তাঁর দাবি, বিএস খতিয়ান নম্বর ১৪৪৮ এবং দাগ নম্বর ৩২০৮-এর আওতাধীন ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ২৮ শতাংশ জমিতে তাঁদের অজ্ঞাতে নির্মাণকাজ শুরু করা হয়।
মিরাজের অভিযোগ, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে জমির মালিকানাসংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চান। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় নির্মাণকাজে বাধা দিলে তাঁকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং ‘দশটি লাশ ফেলে দেওয়ার’ হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন সাংবাদিক মিরাজ।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে সম্পত্তি বেহাত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে বিরোধের সুষ্ঠু নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি।
সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মিরাজ জমির কাগজপত্র যাচাই, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. আল আমিনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে জমিসংক্রান্ত বিরোধের প্রকৃত অবস্থা পরিষ্কার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
মতামত