স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাংগঠনিক পদ স্থগিত হওয়ার পরও মতিউর রহমান হাওলাদার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাঁর এ যোগাযোগকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।
তবে পদ স্থগিতের পর তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধরন কিংবা ভবিষ্যৎ ভূমিকা সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। দলীয় সিদ্ধান্তের পর তিনি কীভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবেন, তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে কৌতূহল রয়েছে।
স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিতি, কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সাংগঠনিক যোগাযোগ একজন নেতার অবস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা। তবে ব্যক্তিগত রাজনৈতিক তৎপরতা এবং দলীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব এক বিষয় নয়। তাই মতিউর রহমান হাওলাদারের ভবিষ্যৎ অবস্থান নির্ধারণে বিএনপির পরবর্তী সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
এ বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে পদ স্থগিতের প্রেক্ষাপট ও পরবর্তী সাংগঠনিক অবস্থান সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে মতিউর রহমান হাওলাদারের বক্তব্যও এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
পদ স্থগিতের পর তাঁর রাজনৈতিক যোগাযোগ ও তৎপরতা কুয়াকাটার স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করেছে। এখন দলীয় সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের অনেকে।