শুক্রবার (৯ অক্টোবর) পটুয়াখালী জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে জুমার নামাজের আগে মুসল্লিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ড্রেন ও আশপাশে কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল কমানো সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি। রোগের উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একই সঙ্গে গুজব এড়িয়ে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ইসলামি মূল্যবোধের আলোকে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসক পটুয়াখালীবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন, দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান।
এ সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলার অন্যান্য মসজিদেও জুমার খুতবা ও আলোচনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে জুমার খুতবার আলোচনায় মসজিদের খতিব মাওলানা তানভীর ইসলাম ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সতর্কতা বজায় রাখার পাশাপাশি মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান।
জুমার নামাজ শেষে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকে পটুয়াখালীবাসীসহ দেশবাসীর সুরক্ষা, আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা এবং সবার সার্বিক কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখার ওপর এ কর্মসূচিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়।