মহিপুর থানা পুলিশের সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে যুবককে আটকের পর কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল জলিল কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইনসান উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় জেলে।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জলিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাগেরহাটের এক তরুণীর সঙ্গেও তার এমন সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি ওই তরুণীকে নিয়ে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে গেলে বিষয়টি পুলিশের সন্দেহের কারণ হয়। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে মহিপুর থানা পুলিশ তাকে আটক করে।
ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে জলিলের স্ত্রী এবং ওই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত হন। তারা তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পরবর্তী সময়ে অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জলিলকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক জানান, জলিলের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক প্রতারণার তথ্য পাওয়া গেছে। এ-সংক্রান্ত বিষয়ে তার স্ত্রী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তরুণীদের সঙ্গে প্রতারণার ঘটনায় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।