পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কলেজছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রদল নেতা সাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কলেজছাত্রের সঙ্গে সাকিবের একটি ঘটনা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয় পুলিশ।
এদিকে গ্রেপ্তার সাকিবের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগটি অস্বীকার করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে সাকিবের সম্পৃক্ততা নেই। রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
সাকিবও তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তার ভাষ্য, তিনি কোনো কলেজছাত্রকে নির্যাতন করেননি। প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দেখলেই অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে পরিষ্কার হওয়া যাবে।
পরিবারের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নিরপরাধ হলে সাকিবকে হয়রানি না করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগটি সত্য নাকি মিথ্যা—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।