৫ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্যাডে পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। চিঠিটি সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলার অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ইউনিয়নগুলোর একটি তালিকা দেওয়া হয়। ওই তালিকায় দুমকি উপজেলার পাঙ্গাসিয়া, লেবুখালী ও মুরাদিয়া ইউনিয়নের নাম রয়েছে।
দুমকি উপজেলার তিনটি ইউনিয়নকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা দিয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হলে প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে উপকৃত হবে। এতে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর আর্থিক চাপ কিছুটা কমার পাশাপাশি তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।
তারা আরও বলেন, দুমকি উপজেলার উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পরিবার বিভিন্ন কারণে আর্থিকভাবে পিছিয়ে রয়েছে। এসব পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হলে তা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই তিনটি ইউনিয়নকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কর্মসূচির আওতায় আনার বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি তৈরি করেছে।
এদিকে, পাঙ্গাসিয়া, লেবুখালী ও মুরাদিয়া ইউনিয়নকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগের জন্য দুমকি উপজেলাবাসী, স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুফল যাতে প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। এর মাধ্যমে দুমকি উপজেলার পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো সরকারি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় আরও বেশি সুবিধা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।