পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ও কেশবপুর ইউনিয়নের নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এ সময় তিনি ভাঙনকবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও সমস্যার কথা শোনেন।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় বাসিন্দারা নদীভাঙনের কারণে তাদের বসতবাড়ি, ফসলি জমি, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়ার কথা তুলে ধরেন। দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের কারণে এলাকার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলেও তারা জানান।
স্থানীয়রা বলেন, নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের ফলে প্রতিবছরই বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়। এতে অনেক পরিবার বসতভিটা ও আবাদি জমি হারানোর আশঙ্কায় থাকে। নদীভাঙন ঠেকাতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আগামী দিনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নদীভাঙনকবলিত বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং নদীভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দেন।
এ সময় তিনি বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে হবে। শুধু সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানোর ব্যবস্থা নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উদ্যোগের মাধ্যমে নদীভাঙন মোকাবিলা করতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা নদীভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত বাঁধ নির্মাণ, প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহায়তায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা।
পরিদর্শনের সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নদীভাঙনের বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।