দীর্ঘ কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহকর্মী বলেন, ‘খুব কাছ থেকে তাঁকে দেখেছি, জেনেছি এবং শিখেছি। তিনি আমার কাছে অত্যন্ত আপন একজন মানুষ। তাঁর হৃদয় যে কতটা মমতায় ভরা, তা খুব কাছ থেকে না দেখলে বোঝা যায় না।’
তিনি বলেন, দীর্ঘ ২৭ বছরের কর্মজীবনে তাঁর কাছ থেকে শুধু পেশাগত বিষয়েই নয়, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার অনেক কিছুই শেখার সুযোগ হয়েছে। কর্মক্ষেত্রের সম্পর্কের বাইরেও তিনি সবসময় পরিবারের একজন অভিভাবকের মতো খোঁজখবর নিয়েছেন।
‘আমার ২৭ বছরের কর্মজীবনে তিনি সবসময় আমার ও আমার পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন। তাঁর স্নেহ, মায়া ও ভালোবাসাকে আমি সবসময় নিজের জন্য বিশেষ এক দোয়া হিসেবে মনে করি’—বলেন ওই সহকর্মী।
প্রিয় মানুষের অসুস্থতার খবরে স্বাভাবিকভাবেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। যাঁর স্নেহ ও ভালোবাসা বহু মানুষের কর্মজীবনে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থেকেছে, সেই মানুষটির সুস্থতার জন্য এখন সবার কাছে দোয়া কামনা করা হচ্ছে।
তাঁর সুস্থতা কামনা করে বলা হয়েছে, মহান আল্লাহ যেন তাঁকে দ্রুত আরোগ্য দান করেন, তাঁর সব কষ্ট দূর করে দেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসায় পূর্ণ সুস্থতা ও শক্তি দান করেন। একই সঙ্গে তিনি যেন আবারও সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে তাঁর প্রিয় সহকর্মী, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে ফিরে আসতে পারেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।
পরিবার, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে তাঁর জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিশেষ দোয়া করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একজন মানুষের কর্মজীবনের দীর্ঘ পথচলায় অর্জিত ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা যে কত গভীর হতে পারে, তাঁর অসুস্থতার সময়ে সহকর্মীদের আবেগঘন স্মৃতিচারণে তারই প্রতিফলন দেখা গেছে।
সবার প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সবার দোয়ায় পল্লী প্রগতি সমিতির এই সম্মানিত নির্বাহী পরিচালক দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন। তাঁর সুস্থতার জন্য পরিবার, সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষীসহ দেশবাসীর কাছে আন্তরিক দোয়া কামনা করা হয়েছে।
দোয়া করি—মহান আল্লাহ তাঁর সব কষ্ট দূর করে পূর্ণ সুস্থতা দান করুন এবং তাঁকে দ্রুত সুস্থ-সবল অবস্থায় আপনজনদের মাঝে ফিরিয়ে দিন। আমিন।