সাক্ষাৎকালে পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের প্রতিনিধিরা বলেন, জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী তরুণদের সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখিয়েছেন। তরুণদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সহযোগিতার মাধ্যমে তিনি তরুণ সমাজকে আরও দায়িত্বশীলভাবে সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।
তাঁর দায়িত্বকালীন সহযোগিতা ও উৎসাহের জন্য পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের পক্ষ থেকে বিদায়ী জেলা প্রশাসকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানানো হয়। একই সঙ্গে পটুয়াখালীর তরুণদের সামাজিক উদ্যোগ, স্বেচ্ছাসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সহযোগিতার বিষয়টিও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন সংগঠনের সদস্যরা।
বিদায়ী সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, প্রশাসন ও তরুণ সমাজের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা একটি এলাকার সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ক্ষেত্রে ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর সহযোগিতামূলক মনোভাব তরুণদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক ছিল বলেও তাঁরা উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকালে পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের পক্ষ থেকে তাঁর নতুন কর্মস্থলে সফলতা, সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, দায়িত্ববোধ ও নেতৃত্বের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশ, পরিবেশ ও জলবায়ু সুরক্ষায় আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কর্মস্থলেও ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতা জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব ভবিষ্যতে আরও কার্যকর উদ্যোগে ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা প্রত্যাশা করেন।
বিদায়ী সাক্ষাৎটি ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে। এ সময় পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের পক্ষ থেকে তাঁর দায়িত্বকালীন সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য শুভকামনা জানানো হয়।