আগামী বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকে শুরু হবে এবারের প্রতিযোগিতার নিবন্ধন। আবেদন করার সুযোগ থাকবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রতিযোগীরা অনলাইন ও অফলাইন—উভয় মাধ্যমেই নিবন্ধন করতে পারবেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিযোগিতার বাছাই কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দেশকে ১৮টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এসব অঞ্চলে আঞ্চলিক বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৮টি বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে বিভাগীয় বাছাই। বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিযোগীরা ঢাকায় অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত বাছাইয়ে সেরা ১০-এ জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। পরে সেরা দশের মধ্য থেকে বিজয়ীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে মূল ফাইনাল প্রতিযোগিতা।
এবারের আসরে খুদে প্রতিযোগীরা মোট ১৮টি বিষয়ে ‘ক’ ও ‘খ’ শাখায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—অভিনয়, আবৃত্তি, গল্প বলা, উপস্থিত বক্তৃতা, সাধারণ নৃত্য, লোক নৃত্য, উচ্চাঙ্গ নৃত্য, দলীয় নৃত্য, ছড়াগান (শুধু ‘ক’ শাখা), দেশাত্মবোধক গান, আধুনিক গান, নজরুল সংগীত, নজরুল সংগীত (দলীয়), রবীন্দ্র সংগীত, লোকসংগীত, যন্ত্রসংগীত, হামদ-নাত ও ক্বিরাত।
প্রতিযোগিতার ‘ক’ শাখায় অংশ নিতে বয়স ৬ থেকে ১১ বছরের নিচে নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘খ’ শাখায় অংশগ্রহণের বয়সসীমা ১১ থেকে ১৫ বছর। তবে ক্বিরাতের জন্য আলাদা একক শাখা থাকবে। এতে ১২ থেকে অনূর্ধ্ব ১৭ বছর বয়সীরা অংশ নিতে পারবে। ক্বিরাত প্রতিযোগিতা সরাসরি বিভাগীয় ও ফাইনাল—এই দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী, একজন আবেদনকারী সর্বোচ্চ তিনটি একক বিষয়ে অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। দলীয় বিষয়সহ সর্বোচ্চ চারটি বিষয়ে আবেদন করার সুযোগ থাকবে।
আবেদন ও প্রতিযোগিতা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য বাংলাদেশ টেলিভিশনের (www.btv.gov.bd) ওয়েবসাইট এবং নতুন কুঁড়ির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.notunkuri.gov.bd) পাওয়া যাবে।
সূত্র: আমার দেশ