ম্যাচের শুরুতে অবশ্য স্বস্তিতে ছিল না ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের প্রথম ২০ মিনিটে কয়েক দফা চেক প্রজাতন্ত্রের আক্রমণ সামলাতে হয়েছে তাদের। ১৬ মিনিটে মর্গান রজার্সের নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপর এলিয়ট অ্যান্ডারসন ও বুকায়ো সাকার প্রচেষ্টাও আটকে দেন চেক ডিফেন্ডাররা।
২৫ মিনিটে বদলে যায় ম্যাচের পরিস্থিতি। প্রতিপক্ষের মিডফিল্ডার অ্যান্ডারসনকে ফাউল করার ঘটনায় ভিএআরের সহায়তায় লাল কার্ড দেখেন চেক প্রজাতন্ত্রের পাভেল শুলৎস। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় স্বাগতিকরা। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই ইংল্যান্ডের হাতে চলে গেলেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি তারা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আসে ইংল্যান্ডের কাঙ্ক্ষিত গোল। ৪৭ মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের ক্রস থেকে দারুণ হেডে বল জালে পাঠান ফরোয়ার্ড অ্যান্টনি গর্ডন।
এরপর ৬৯ মিনিটে ইংল্যান্ডের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বক্সের ভেতরে মর্গান রজার্সকে আটকাতে গিয়ে ডিফেন্ডার ক্রেইচি বল হারান। সেই সুযোগে বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন কেইন।
দুই গোল হজমের পর বাকি সময়ে রক্ষণ সামলাতেই বেশি মনোযোগী ছিল ১০ জনের চেক প্রজাতন্ত্র। ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকটি আক্রমণও প্রতিহত করে তারা। তবে নির্ধারিত সময় ও যোগ করা সময়ে আর কোনো গোল হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে টমাস টুখেলের দল।
এই জয়ের ফলে উয়েফা নেশনস লিগের লিগ ‘এ’-এর গ্রুপ ‘সি’-তে দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইংল্যান্ড। গ্রুপের শীর্ষে থাকা স্পেনের চেয়ে তারা ৩ পয়েন্ট পিছিয়ে। অন্যদিকে টানা দুই ম্যাচে হেরে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে রয়েছে চেক প্রজাতন্ত্র।
পরবর্তী ম্যাচে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া। আর চেক প্রজাতন্ত্র খেলবে স্পেনের বিপক্ষে।
সূত্র: আমার দেশ