পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার রামনাবাদ নদীর গলাচিপা খেয়াঘাট থেকে শুরু হয়ে ডাকুয়া স্লুইসগেটের মাধ্যমে বুড়া গৌরাঙ্গ নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খালটির খননকাজ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের শুরুতে সরকারি বরাদ্দে খালটির খননকাজ শুরু হয়। বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে জটিলতা থাকায় কাজের গতি কিছুটা ধীর ছিল। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে শুকনো মৌসুম শুরু হলেও খালের একটি বড় অংশে পানি নিষ্কাশন না করেই পানিপূর্ণ অবস্থায় খননকাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, গলাচিপা থানা সংলগ্ন নতুন স্লুইসগেট থেকে গলাচিপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ গেটসংলগ্ন প্রধান সড়কের সেতু পর্যন্ত অংশে পানি নিষ্কাশন করে খননকাজ পরিচালনা করা হয়েছে। অথচ একই প্রকল্পের আওতাধীন বাকি অংশে পানি অপসারণ ছাড়াই ভরা খালের মধ্যেই খননকাজ চলছে।
এতে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—একই খালের খননকাজে দুই ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে কেন? একটি অংশে পানি নিষ্কাশন করে কাজ করা হলে অন্য অংশে একই নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না কেন? এতে প্রকল্পের কাজের মান ও সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়ে জনমনে সন্দেহ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি তদন্ত করে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যাও প্রত্যাশা করছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।