এ ঘটনায় হেলালের স্ত্রী মোছা. শিউলি বেগমের পক্ষ থেকে পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার নথিতে পিটিশন মামলা নং- ৬-১৪/২০২৫ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সংশ্লিষ্ট ধারার উল্লেখ রয়েছে।
মামলার কাগজপত্র ও বাদীপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, শিউলি বেগমের বয়স ২২ বছর। তিনি মো. হেলালের স্ত্রী এবং তাদের একটি সন্তান রয়েছে। বাদীপক্ষের দাবি, স্ত্রী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও হেলাল অন্য এক নারীকে বিয়ে করেন। পরবর্তী সময়ে বিদেশে যাওয়ার কথা বলে পরিবারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, টাকা নেওয়ার পর থেকেই হেলালের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছে পরিবারটি।
হেলালের সন্ধান পেতে পরিবারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয়দের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার অবস্থান সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য দিয়ে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে পৌঁছে দিতে পারলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হেলালের সন্ধান পাওয়া গেলে বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মো. হেলালের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের সত্যতা ও মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
যোগাযোগ: পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী—০১৭৬৬২৮২১৯৮।