সমর্থকদের ভাষ্য, নূরুল ইসলাম নয়নের শিক্ষাজীবন চরফ্যাশন টিবি স্কুল থেকে শুরু হয়ে ঢাকা কলেজ এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
তাঁদের দাবি, ইবাইস ইউনিভার্সিটির ধানমন্ডি ক্যাম্পাস এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাগত তথ্যের বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই না করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ার মিলা ইউনিভার্সিটিতে তাঁর পিএইচডি ফেলোশিপের বিষয়টিও তাঁর একাডেমিক যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন সমর্থকেরা।
নূরুল ইসলাম নয়নের পক্ষে দেওয়া বক্তব্যে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা প্রতিযোগিতা থাকলেও ব্যক্তিগত সম্মান ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে অসত্য তথ্য প্রচার করা উচিত নয়। তাঁদের মতে, অপপ্রচারের মাধ্যমে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির দীর্ঘ শিক্ষাজীবন ও অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় না।
এ বিষয়ে সমর্থকেরা পবিত্র কোরআনের সূরা আল-ইমরানের ২৬ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, সম্মান ও অপমানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সৃষ্টিকর্তার হাতে।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, নূরুল ইসলাম নয়নের বিরুদ্ধে ছড়িয়ে পড়া অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তাঁরা ভবিষ্যতেও তাঁর পাশে থাকবেন।
তবে নূরুল ইসলাম নয়নের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস এবং পিএইচডি ফেলোশিপ-সংক্রান্ত দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নথি বা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা যেতে পারে।