জানা গেছে, বুধবার কালাইয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছিলেন ইউএনও সালেহ আহমেদ। এ সময় তার নজরে আসে একটি চায়না দুয়ারি জাল। পরে সংশ্লিষ্টদের সহায়তায় জালটি উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয়।
এ বিষয়ে ইউএনও মো. সালেহ আহমেদ বলেন, “যেখানে চায়না দুয়ারি জাল, সেখানেই ধ্বংস করতে হবে। সবাই সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলেই মৎস্যসম্পদ রক্ষা সম্ভব। আজ কালাইয়া ইউনিয়নে পরিদর্শনে গিয়ে জালটি দেখতে পাই এবং সঙ্গে সঙ্গে সেটি ধ্বংস করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, চায়না দুয়ারির মতো অবৈধ ও ক্ষতিকর জাল ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জলজ জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয়দের মতে, নদী-খাল ও জলাশয়ে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের নিয়মিত তৎপরতা অব্যাহত থাকলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় তা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
প্রশাসন জানিয়েছে, মৎস্যসম্পদ রক্ষায় অবৈধ ও ক্ষতিকর জালের বিরুদ্ধে অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।