সোমবার দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো পক্ষ মামলা বা লিখিত অভিযোগ করেনি বলে জানিয়েছেন রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।
সংঘর্ষে এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন চরআন্ডা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস খান। তার পক্ষের আটজন আহত হয়েছেন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অন্য পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন একই ওয়ার্ডের যুবদলের বহিষ্কৃত সভাপতি কামাল শিকদার। তার পক্ষের ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজন গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর দুজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সংঘর্ষের কারণ নিয়ে দুই পক্ষের কাছ থেকে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে।
কামাল শিকদারের দাবি, চরআন্ডার একটি চরের প্রায় ২০০ একর খাস জমিতে ইদ্রিস খানের নেতৃত্বে ধান চাষ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সেখানে গবাদিপশু চরাতে বাধা, মারধর ও হুমকি-ধমকির প্রতিবাদকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
তবে ইদ্রিস খানের দাবি, তার দুঃসম্পর্কের এক আত্মীয় কিশোরীকে কামাল শিকদারের ভাইয়ের ছেলে সিয়াম শিকদার উত্ত্যক্ত ও তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় বলে দাবি করেন তিনি।
রাঙ্গাবালী থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সংঘর্ষের ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ বা মামলা করেনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।