মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ‘গুরুদণ্ডমূলক অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে সাত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শোকজ পাওয়া শিক্ষক-কর্মকর্তারা হলেন—প্রফেসর ড. মো. জুয়েল হাওলাদার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাঈম কাওসার, তানজিলুর রহমান, মো. ওয়াজ কুরনি, ফিরোজ আলম, সহকারী রেজিস্ট্রার আসমা আক্তার সেতু, মো. শামীম খান এবং সাময়িক বরখাস্তকৃত সেকশন অফিসার আরিফুর রহমান পিয়েল।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নোটিশে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানবিরোধী অবস্থান নেওয়া এবং বিগত সরকারের সময়ে বিভিন্ন অপকর্ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আগে থেকেই তদন্ত চলছে।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই অভিযুক্তরা পুনরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে প্রচারণা চালানোর মাধ্যমে গুরুতর অপরাধে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে আইন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দুর্নীতি, অনিয়ম ও যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে বর্তমান প্রশাসন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।