স্থানীয়রা আহত অবস্থায় বাপ্পি মৃধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি বাউফল থানায় গিয়ে ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাপ্পির চাচা নাসির মৃধার সঙ্গে প্রতিবেশী শহিদুল ইসলামের জমিজমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা চলমান। ওই মামলায় শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভোররাতে তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশকে সহযোগিতা করেন বাপ্পি।
বাপ্পির অভিযোগ, শহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে একই মামলার অপর আসামি রুহুল ইসলাম তাকে অপহরণের চেষ্টা করেন। এ সময় রুহুল ইসলাম ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি সেখান থেকে উদ্ধার হন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রুহুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোন নম্বর বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’