মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার মিলঘর এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে তাঁর অপসারণের দাবি জানান। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।
আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনিচুর রহমান বলেন, প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের নয়জন সদস্য অনাস্থা দিয়েছেন। এরপরও তিনি দায়িত্বে থাকায় পরিষদের সদস্যরা হতাশ। তাঁকে আর দায়িত্বে দেখতে চান না তাঁরা।
সাবেক উপজেলা ছাত্রদল নেতা শাহিন রেজা বলেন, প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তাঁরা ২১ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে আলেয়া বেগমকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। এ দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
শাহিন রেজার অভিযোগ, আলেয়া বেগমের ছেলে আলমাস নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করেও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করেন। এমনকি তিনি তাঁর মায়ের হয়ে স্বাক্ষরও করেন বলে অভিযোগ করেন শাহিন। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র কোনো প্রমাণ তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. কবির হোসেন বলেন, ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চান।
মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভকারীরা মিলঘর এলাকায় সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেন। পরে তাঁরা আলেয়া বেগম ও তাঁর ছেলে আলমাসের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এদিকে, বিক্ষোভকারীদের অভিযোগের বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান আলেয়া বেগম ও তাঁর ছেলে আলমাসের বক্তব্য জানতে তাঁদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাঁরা ফোন রিসিভ না করায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।