রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. রাসেল। উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসতিয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসানউল্লাহ পিন্টু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মুন্সি এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মৃধা।
এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশিক্ষণার্থী, ঋণ গ্রহণে আগ্রহী এবং সুবিধাভোগী যুবক-যুবতীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সামাজিক পরিবর্তনে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ। এই বিশাল যুবশক্তিকে যথাযথ প্রশিক্ষণ, কারিগরি শিক্ষা ও কর্মমুখী দক্ষতায় গড়ে তুলতে পারলে জাতীয় উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
বক্তারা আরও বলেন, শুধু চাকরির প্রত্যাশায় বসে না থেকে যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ গড়ে তোলার পাশাপাশি নিজেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। একই সঙ্গে অন্যদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার মধ্য দিয়েও বেকারত্ব নিরসনে অবদান রাখা সম্ভব।
তারা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও ঋণ সহায়তা কার্যক্রমকে কাজে লাগিয়ে দক্ষ, আত্মনির্ভরশীল ও দায়িত্বশীল যুবসমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি যুবকদের আন্তরিকতা, পরিশ্রম ও উদ্যোগী মনোভাব প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উৎসাহিত করতে সুবিধাভোগী যুবক-যুবতীদের মধ্যে যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রশিক্ষণ ও ঋণ সহায়তার মাধ্যমে মির্জাগঞ্জের বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।