জান্নাতুল ফেরদৌসী দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের রাজাখালী গ্রামের আবু মুসার স্ত্রী। তাঁর বাবার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকায়।
পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ অক্টোবর রাত আটটার দিকে রাজাখালী গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন জান্নাতুল। এরপর স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। একপর্যায়ে পরিবারের পক্ষ থেকে দুমকী থানায় অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তাঁকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজের ১২ দিন পর ২৯ অক্টোবর ঢাকার মুগদা এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। পরে সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় তাঁর বাবা মো. হায়দার আলীর জিম্মায় দেওয়া হয়।
এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জান্নাতুলের স্বামী আবু মুসা ভিন্ন দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শহিদুল আলম হাওলাদারকে জড়ানোর বিষয়টি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
আবু মুসার দাবি, তাঁর স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সূত্রে ঢাকার এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ঢাকায় চলে যান এবং ওই যুবকের কাছে আশ্রয় নিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। তবে তাঁর এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, জান্নাতুল ফেরদৌসীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে তিনি কী কারণে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন এবং ঢাকায় কীভাবে অবস্থান করছিলেন, সে বিষয়ে তাঁর নিজস্ব বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য জানা প্রয়োজন। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার অন্যান্য দিকও স্পষ্ট হতে পারে।