রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমানের নেতৃত্বে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। ‘পরিচ্ছন্ন সৈকত, ছাত্রদলের অঙ্গীকার’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত কর্মসূচিতে জেলা, উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের দুই শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় সৈকতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য অপসারণ করা হয়।
সম্প্রতি কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভালকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটে। উৎসব শেষে সৈকতের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখা, বর্জ্যদূষণ কমানো এবং পর্যটকদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকেরা।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব জাকারিয়া আহম্মেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন হাওলাদার, কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রিয়াজ, সদস্যসচিব নেছার উদ্দিন হাওলাদারসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।
অভিযান শেষে মো. আমানউল্লাহ আমান বলেন, “কুয়াকাটা শুধু একটি পর্যটনকেন্দ্র নয়, এটি আমাদের দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এ সৈকতের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। পর্যটকেরা যেন পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর সৈকত উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই ছাত্রদলের এ উদ্যোগ।”
তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান যেন কেবল এক দিনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থাকে। এ লক্ষ্যে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক দিন সৈকত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেন তিনি।
একই সঙ্গে কুয়াকাটার পরিবেশ সুরক্ষায় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান আমানউল্লাহ আমান। সৈকতের সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রাখতে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য না ফেলার জন্যও সবার প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
পর্যটননির্ভর কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। পর্যটন উৎসবের পর ছাত্রদলের এ উদ্যোগ সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি অন্য সংগঠন ও সাধারণ মানুষকেও পরিবেশ রক্ষার কাজে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।