সোমবার (১৯ অক্টোবর) পটুয়াখালীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় পূজামণ্ডপের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং উৎসব উদযাপনের পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও সম্প্রীতি বিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে বিভাগীয় কমিশনারকে অবহিত করেন।
এ সময় বিভাগীয় কমিশনার পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং পূজামণ্ডপে আগত দর্শনার্থীদের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। দুর্গোৎসবের পরিবেশ, আয়োজকদের ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়গুলোও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ পরিদর্শনের মূল লক্ষ্য ছিল পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং উৎসব চলাকালে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে সরেজমিনে ধারণা নেওয়া।
শারদীয় দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।
পটুয়াখালীর ১৯২টি পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের এই পরিদর্শন নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয়ের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং ভক্ত-দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্ট সবার প্রত্যাশা।