পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পূজামণ্ডপের পরিবেশ, প্রস্তুতি এবং উৎসবকে ঘিরে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রত্যাশার বিষয়ে খোঁজ নেন। এ সময় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
স্থানীয়ভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। প্রতিবছর এ উৎসবকে ঘিরে পূজামণ্ডপগুলোতে নানা আয়োজন করা হয়। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি উৎসবটি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য প্রকাশেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
এমন প্রেক্ষাপটে পূর্ব বাহেরচর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং শাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণের উদ্যোগকে উৎসব উদযাপনে সহযোগিতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিদর্শনকালে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পূজামণ্ডপ এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে রাঙ্গাবালীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় এলাকায় শান্তি, সৌহার্দ্য এবং সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।