পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় হাসিব খাঁনের কাছ থেকে ৬০ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মামলা করা হয়।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেলে দুমকি থানাধীন পাগলার মোড় এলাকায় পায়রা টোল প্লাজার দ্বিতীয় লেনের পাকা সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৬০ পুরিয়া হেরোইনসহ মো. হাসিব খাঁনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হাসিব খাঁনের স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালী পৌরসভার কালিকাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের টাউন বহালগাছিয়া এলাকা। তাঁর বর্তমান ঠিকানা পটুয়াখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন হাসপাতাল রোড বলে পুলিশের তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরবরাহ করা তথ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।
মাদকদ্রব্যের অবৈধ বিস্তার রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে মহাসড়ক, টোল প্লাজা ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথে নজরদারি জোরদার করা হলে মাদকদ্রব্যের অবৈধ পরিবহন ও সরবরাহ প্রতিরোধে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।
পটুয়াখালী জেলায় মাদকসংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে আইনানুগ তৎপরতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাও জরুরি। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পরিবার ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ।
তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হওয়া মানেই তাঁর অপরাধ আদালতে প্রমাণিত হওয়া নয়। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।