বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিদ্যমান সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার বাস্তব চিত্র বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
কর্মশালায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক চিহ্নিতকরণ, গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়ন অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং ভৌগোলিক তথ্যব্যবস্থা বা জিআইএসভিত্তিক তথ্য যাচাইয়ের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ের চাহিদা, সড়কের বর্তমান অবস্থা ও যোগাযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. এমরান হাসান।
কর্মশালায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেটস কনসালটিং সার্ভিসেস লিমিটেডের জিআইএস স্পেশালিস্ট প্রকৌশলী ফাহিম শাহরিয়ার। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির জিআইএস অ্যানালিস্ট ফাহিম আহমদ দিব্য জিআইএসভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ কার্যক্রমে অংশ নেন।
আলোচনায় গ্রামীণ সড়কের সঠিক তথ্য সংরক্ষণ ও যাচাইয়ের পাশাপাশি উন্নয়ন কার্যক্রমে অগ্রাধিকার নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। একটি পরিকল্পিত সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে কোন সড়কগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং কোনগুলো উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত, তা নির্ধারণে নির্ভরযোগ্য তথ্য ও স্থানীয় পর্যায়ের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, গ্রামীণ সড়কের একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হলে ভবিষ্যতে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়ন, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চিহ্নিতকরণ এবং উন্নয়ন অগ্রাধিকার নির্ধারণে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে জিআইএসভিত্তিক তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে।
যাচাইকৃত তথ্য, স্থানীয় পর্যায়ের মতামত এবং সড়কের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নের অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নই এ কর্মশালার মূল লক্ষ্য। পরিকল্পিত এ উদ্যোগ উপজেলার গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ অবকাঠামো পরিকল্পনা প্রণয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।