এসআরবি-৮-এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প ও সদর কোম্পানি, বরিশালের যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার সোহাগ সিকদার পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চাকামইয়া গ্রামের মোঃ ফোরকান সিকদারের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অভিযুক্তরা লোহার রড, কাঠের চেরা ও ইট দিয়ে মোছা. তানিয়া বেগম ও তাঁর স্বামীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তাঁরা গুরুতর আহত হন। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া এবং তানিয়া বেগমকে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগও করা হয়েছে।
এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, ঘটনার সময় তানিয়া বেগম অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। মারধরের একপর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে কলাপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর সাত মাসের গর্ভের সন্তানের গর্ভপাত হয়। পরবর্তী সময়ে নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত শিশুটির মৃত্যু হয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর প্রধান অভিযুক্ত সোহাগ সিকদার দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার ধারাবাহিকতায় এসআরবি-৮-এর যৌথ দল অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের একপর্যায়ে মঙ্গলবার রাতে বাকেরগঞ্জের রঙ্গশ্রী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার সোহাগ সিকদারকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় গুরুতর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তবে মামলায় উত্থাপিত অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
সূত্র: স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮-এর তথ্য।