বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শহরের সোনালী ব্যাংক মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পটুয়াখালী জেলা শাখার সেক্রেটারি এবং ১১ দলীয় ঐক্যের জেলা সমন্বয়ক মো. শহীদুল ইসলাম আল কায়ছারীর নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস সংকট, ঘন ঘন লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের কারণে সাধারণ মানুষ আর্থিক ও সামাজিকভাবে চাপে পড়েছেন। একই সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। এর প্রভাব শিল্প-কারখানা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা কার্যক্রমেও পড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এ অবস্থায় গ্যাস সরবরাহের সংকট দূর করা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা, অতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল আদায় বন্ধ, বাজার তদারকি জোরদার এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ ছয় দফা দাবি জানানো হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির পটুয়াখালী জেলা সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল হোসেন, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এবিএম সাইফুল্লাহ ও মো. আলমগীর হোসাইন, প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি মো. সাইদুর রহমান খান, পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা আবুল বাশার, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, জামায়াত মনোনীত পটুয়াখালী পৌরসভা মেয়র প্রার্থী আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ান, ইসলামী ছাত্রশিবির পটুয়াখালী জেলা সভাপতি মো. তামিম হোসেনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে। জনগণের স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে মানুষের জীবনযাত্রার ওপর এর বিরূপ প্রভাব আরও গভীর হবে।