সোমবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা। সভায় জানানো হয়, এ বছর দশমিনা উপজেলায় মোট ১৭টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপিত হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম শানু, ঢাকা উত্তর মহানগর গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি মিজানুর রহমান, উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট তপন কুমার দেবনাথ এবং সাধারণ সম্পাদক শুভময় রায়।
এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সভায় অংশ নেন।
সভায় ইউএনও মাহমুদ হাসান মৃধা শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা তুলে ধরেন। তিনি পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং উৎসব চলাকালে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় জানানো হয়, পূজা শুরু থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি প্রতিটি পূজামণ্ডপ সিসি ক্যামেরার আওতায় রাখার কথা জানানো হয়। নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আনসার সদস্য, গ্রামপুলিশ এবং স্বেচ্ছাসেবকেরাও সহযোগিতা করবেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং পূজা উদ্যাপন কমিটির সমন্বিত উদ্যোগ উৎসবের পরিবেশ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ ক্ষেত্রে পূজামণ্ডপের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সতর্কতা ও দায়িত্বশীল আচরণের পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতাও প্রয়োজন।
সভায় শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে উৎসবকে আনন্দমুখর করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসনের এ প্রস্তুতিমূলক সভার মধ্য দিয়ে দশমিনায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।