শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার, আর বই হলো জ্ঞান অর্জন ও আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়ার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করা এবং তাদের শিক্ষাজীবনের পথচলাকে আরও সহজ করে তোলার লক্ষ্যে ডা. মোঃ আনোয়ার হোসেনের এই উদ্যোগকে একটি প্রশংসনীয় মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা থেকে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এমন সহযোগিতামূলক উদ্যোগ বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠতে পারে। নতুন বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হওয়ার পাশাপাশি লেখাপড়ায় আরও মনোযোগী হতে উৎসাহিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডা. মোঃ আনোয়ার হোসেনের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, নিজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি নিজের শেকড় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি দায়বদ্ধ থাকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী যখন নিজের প্রতিষ্ঠানের বর্তমান শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ান, তখন তা শুধু ব্যক্তিগত সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং সমাজে শিক্ষা, মানবিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার এই মহতী উদ্যোগের জন্য ডা. মোঃ আনোয়ার হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। তাঁর মতো মানবিক ও শিক্ষানুরাগী মানুষের উদ্যোগ সমাজের অন্যান্য বিত্তবান, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং সমাজসেবীদেরও শিক্ষার প্রসারে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
চুনাখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন এই মেধাবী শিক্ষার্থীর মানবিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক—এমন প্রত্যাশা সবার। মহান আল্লাহ তায়ালা ডা. মোঃ আনোয়ার হোসেনকে সুস্থতা, নেক হায়াত ও উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং ভবিষ্যতেও মানুষের কল্যাণে কাজ করার তৌফিক দান করুন। আমিন।